নজরবন্দি ব্যুরোঃ কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে অসন্তুষ্ট কামদুনি। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন দুই প্রতিবাদী মৌসুমী ও টুম্পা কয়াল। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা। আজ জাতীয় মহিলা কমিশনে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর আরেক নির্যাতিতা নির্ভয়ার মায়ের সঙ্গে দেখা হয় মৌসুমী ও টুম্পার। তিনিও চান, কামদুনির অভিযুক্তরা যেন ন্যায্য শাস্তির পান।
আরও পড়ুনঃ অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত BJP, মুরলীধর সেন লেনে ‘বিক্ষুব্ধ’ গেরুয়া কর্মীদের বিক্ষোভ


শুক্রবার কামদুনি গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় রায়দান করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ফাঁসির সাজা মকুব করে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে ২ জন অভিযুক্তকে এবং যাবজ্জীবনের সাজাপ্রাপ্ত ৪ জনকে বেকসুর খালাস করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। এই রায়ে একেবারেই খুশি নন কামদুনির নির্যাতিতার দুই বান্ধবী তথা ধর্ষণকাণ্ডের মূল আন্দোলনকারী টুম্পা কয়াল ও মৌসুমী কয়াল।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৭ই জুন উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে কলেজ ফেরত এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনা নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা রাজ্য। প্রাথমিকভাবে দোষী সাব্যস্ত হন ৯ জন। ২০১৬ সালের ৩০ জানুয়ারি ব্যাঙ্কশাল কোর্ট ৬ জনের শাস্তি ঘোষণা করে।



যন্তর মন্তরে ধর্না কামদুনির প্রতিবাদীদের, মৌসুমী-টুম্পার সঙ্গে দেখা নির্ভয়ার মায়ের
যাদের মধ্যে আনসার, আলি মোল্লা ও সইফুল আলি আমিন আলিকে ফাঁসির সাজা দেন বিচারক সঞ্চিতা সরকার। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ইমানুল হক, ভোলানাথ নস্কর ও আমিনুর ইসলামকে যাবজ্জীবন জেলের সাজা দেওয়া হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন গোপাল নস্কর নামে এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়। প্রমাণের অভাবে মুক্তি দেওয়া হয় অন্য দুই অভিযুক্ত রফিক গাজি এবং নুর আলিকে।









