রনজি ট্রফির সেমিফাইনালে বাংলার হয়ে বিধ্বংসী স্পেল—৯০ রানে ৮ উইকেট। Mohammed Shami আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি এখনও দেশের অন্যতম সেরা ম্যাচজয়ী পেসার। তবু প্রশ্ন উঠছে, এমন পারফরম্যান্সের পরও কি জাতীয় দলে তাঁর জন্য দরজা বন্ধই থাকবে?
জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে বাংলার বোলিং আক্রমণের মুখ হয়ে উঠেছিলেন শামি। প্রতিপক্ষের ১০ উইকেটের মধ্যে একাই তুলে নিলেন ৮টি। ৯০ রানে এই ৮ উইকেট তাঁর রনজি ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ৭৯ রানে ৭ উইকেট।


অভিমন্যু ঈশ্বরনের নেতৃত্বে বাংলার প্রথম ইনিংসের ৩২৮ রানের জবাবে লড়াই করছিল জম্মু ও কাশ্মীর। দ্বিতীয় দিনের শেষে তাদের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ১৯৮। ম্যাচ তখন সমানতালে এগোচ্ছিল। কিন্তু তৃতীয় দিনে শামির আগ্রাসী স্পেলেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
প্রথমে দ্রুত ফিরিয়ে দেন শুভম খাজুরিয়া ও ইয়াওয়ের হাসান খানকে। এরপর মুকেশ কুমারের চাপে ব্যর্থ হন শুভম পুন্দির। তবে আকিব নবি ও যুধবীরের জুটিতে লড়াই চালাচ্ছিল জম্মু ও কাশ্মীর। সেই সময়ই শামির অভিজ্ঞতার ছাপ। একে একে আবিদ মুস্তাক, কানহাইয়া ওধাওয়ান, বংশজ শর্মাকে ফেরান তিনি।
শেষদিকে আকিব নবি (৪২) ও যুধবীর (৩৩) জুটি লিডের সম্ভাবনা তৈরি করলেও দু’জনকেই সাজঘরে পাঠিয়ে দেন শামি। ফলে ৩০২ রানে অলআউট হয় জম্মু ও কাশ্মীর, আর বাংলা পেয়ে যায় গুরুত্বপূর্ণ ২৬ রানের লিড।


চলতি মরশুমে তিন ধরনের ঘরোয়া ক্রিকেট মিলিয়ে শামির উইকেট সংখ্যা পৌঁছে গেছে ৬৭-তে। এই পারফরম্যান্স যেন বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে—তিনি এখনও শেষ হয়ে যাননি।
তবু জাতীয় দলের বাইরে থাকায় প্রশ্ন তুলছেন সমর্থকেরা। এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পরও কি শামিকে আরও অপেক্ষা করতে হবে? সেই উত্তরই এখন খুঁজছে ক্রিকেটমহল।








