লোকসভার পর বুধবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনও মোদির বক্তব্যের মধ্যেই বিরোধী শিবিরের তুমুল হইচই সৃষ্টি হয়। যদিও সেদিকে বিশেষ আমল না দিয়ে নিজের ভাষণ চালিয়ে যেতে থাকেন মোদি। তবে প্রধানমন্ত্রী নাম না করে কংগ্রেসনেত্রী সনিয়া গান্ধীর উদ্দেশ্যে কিছু বক্তব্য রাখেন। তাতেই মহল আরও উত্তপ্ত হয়। সংসদ থেকে ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নেন বিরোধীরা।
নরেন্দ্র মোদি রাজ্যসভার ভাষণে বলেন, বিগত ১০ বছর ধরে গোটা দেশে ব্যাপক উন্নয়নের কাজ হয়েছে। ভারতবর্ষ থেকে দারিদ্র দূরীকরণই করাই ছিল এনডিএ সরকারের লক্ষ্য ছিল এবং আগামী পাঁচ বছরও তাই থাকবে। এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যোগ করেন, “যারা কোনও দিন কাজ করেনি তাঁরা কাজের মর্ম বুঝবে না। তাঁরা তো সরকার চালাত অটোমেটিক মোডে বা রিমোট কন্ট্রোল করে।”



বুঝতে খুব বেশি সময় লাগে না, এই বক্তব্য ছিল সনিয়া গান্ধীর উদ্দেশ্যে। কারণ, মনমোহন সিংহকে প্রধানমন্ত্রী পদে রেখে নেপথ্যে সরকার পরিচালনা করতেন সনিয়া এ রকম গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই শোনা যেত কংগ্রেস আমলে।
রাজ্যসভায় মোদির নিশানায় সনিয়া, প্রতিবাদে ওয়াকআউট বিরোধীদের
মোদির এই বক্তব্যের আগে থেকেই বিরোধী শিবিরের তরফে হই হট্টগোল করা হচ্ছিল। আর এই বক্তব্যের পরে প্রতিবাদ জানাতে চান কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়গে। কিন্তু তাঁকে বলার সুযোগ দেননি স্পিকার জগদীপ ধনকড় এরকমই অভিযোগ। এরপর মোদি বলেন, “বিরোধীদের কথা শোনার মতো ধৈর্য্যটুকু নেই। তারা কেবলই চায় চিৎকার করতে। সেই কারণেই আজ তাঁদের এই অবস্থা।”



জগদীপ ধনকড়ও বলেন, “আজ এরা রাজ্যসভা ছেড়ে গেলেন না, গেলেন নিজেদের মর্যাদা ছেড়ে। শুধু আমাদের দিক থেকে মুখ ফেরালেন না। সংবিধান থেকে মুখ ফেরালেন। সংবিধানকে এমন অপমান করা যায় না। আমি এই ঘটনার নিন্দা করছি। তাঁরা সংবিধানের এত বড় অপমান করেছেন। আমি আহত। আমি নিশ্চিত দেশের মানুষও আহত হয়েছেন।’’







