নজরবন্দি ব্যুরো: দীর্ঘ দিন পর বিজেপি নেতা মণীশ শুক্ল হত্যাকাণ্ডের আজ রায় দিল ব্যারাকপুর মহকুমা আদালত। চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। চার্জশিটে সন্দেহভাজন হিসেবে প্রশান্ত চৌধুরী, উত্তম দাসের নামের দুজন ২ তৃণমূল নেতার নাম আছে তাতে। এদের মধ্যে উত্তম দাস হলেনব্যারাকপুর পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান । টিটাগড় পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান হলেন প্রশান্ত চৌধুরী। দুজন বিদায়ী চেয়ারম্যান এর নামে এভাবে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। এবং ১২জনের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাড়ছে আতঙ্ক, নাগাল্যান্ড থেকে এবার দাবানল ছড়িয়ে পড়ল মণিপুরে
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রমাণ লোপাটের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর, টিটাগড় থানা থেক ঢিলছোড়া দূরত্বে ভরসন্ধেয় খুন হয়েছিলেন ছোড়া দূরত্বে খুন হন বিজেপির দাপুটে নেতা এবং ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ঘনিষ্ঠ মণীশ শুক্লা।সবাইকে চমকে দিয়েছিলো তাঁকে খুনের ঘটনা। বিটি রোডের মতো ব্যস্ত রাস্তার ওপরেই তাঁকে একের পর এক গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় দুষ্কৃতীরা।তারপর থেকেই চলতে থাকে তদন্ত।
প্রাথমিক ভাবে গত ১২ তারিখ সিআইডি সূত্রে দাবি করা হয়, ভোটের আগে এলাকার দখল নিয়েই বিবাদের জেরে খুন হতে হয়েছিল বিজেপির এইদাপুটে নেতাকে। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত নাসির আলি। গোয়েন্দাদের সূত্রে খবর, ধৃত নাসির দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর বাসিন্দা। সিআইডির জেরার মুখে নাসির আলি জানিয়েছে, এলাকা দখল ও তোলাবাজি নিয়ে মণীশ শুক্লার শাগরেদদের সঙ্গে ঝামেলা হয় তাঁর। সেই রাগ থেকেই পথের কাঁটা মণীশকে সরাতে বাংলাদেশে বসে খুনের ছক কষে সে। তার সঙ্গেই আলোচনা করে পরিকল্পনা সাজায় নাসির আলি।
মনীশ কান্ড খুনের চার্জশীট, বিজেপি নেতাকে প্রাণে মারতে বিহার থেকে ৭ জন শার্প শ্যুটার নিয়োগ করে সুবোধ। ৮ অক্টোবর ঘটনার তদন্তে নেমে ব্যারাকপুরের ঘাটালের বাসিন্দা সুবোধ সিং ওরফে সুবোধ যাদবকে গ্রেফতার করে সিআইডি। অক্টোবরের শেষের দিকে পঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করা হয় ৩ শার্পশ্যুটারকে। ত্রাপর তদন্ত এগতে থাকলে পুলিশ চার্জশীট পেশ করে তৃণমূলের দুই বিদায়ী চেয়ারম্যান এর নামে।



