নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে। একথা জানার পরেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদে থেকে মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তখন থেকেই মানিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে তদন্তকারী সংস্থা। একক বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিলেন মানিক। পরে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। এখন মানিককে হলফনামা জমা দেওয়ার সুযোগ দিল আদালত।
আরও পড়ুনঃ SSC Protest: চাকরি প্রার্থীদের ৬০০ দিন ধরে আন্দোলন, হবু শিক্ষকদের মঞ্চে বাম নেতৃত্ব
শুক্রবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পর্ষদের সভাপতি পদ থেকে অপসারণের যে রায় দিয়েছিল হাই কোর্ট, তার বিরুদ্ধে আত্মপক্ষ সমর্থন করে হলফনামা জমা দিতে পারবেন মানিক। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতে আগামী ১৮ নভেম্বর নিজের বক্তব্য জানাতে পারবেন তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য।

টেট নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে উপস্থিত হন মানিক ভট্টাচার্য। মানিকের বিরুদ্ধে একই রায় বহাল রেখেছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মানিক।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনির্বাণ বসু এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, হাই কোর্ট ওই নির্দেশ দেওয়ার আগে রাজ্যের মতামত জানতে চায়নি। মানিককে অপসারণের ব্যাপারে আদালতের ওই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রক্রিয়ায় হয়নি। তবে মানিককে সভাপতি পদে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি সুপ্রিম কোর্ট।
আত্মপক্ষের কথা বলতে পারবেন মানিক, কী বললেন বিচারপতি?

এই মুহুর্তে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেল হেফাজতে রয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য। তাঁকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ইডির অনুমান, প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন মানিক। সেকারণেই পার্থ ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রহস্যের উন্মোচন করতে চায় তদন্তকারী সংস্থা।



