নজরবন্দি ব্যুরো: দীর্ঘদিন ধরেই বিয়ের জন্য চলছিল পাত্রী দেখা। কিন্তু কোনটাই বিয়ে পর্যন্ত গড়াচ্ছিল না। পাড়া প্রতিবেশী প্রত্যেকেই প্রায় প্রতিদিন বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। বয়সও তিরিশের কোঠায়। কিন্তু মিলছিল না পাত্রী। এরফলে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন যুবক। ভাগ্যের এই পরিণতি মেনে নিতে না পেরে অবসাদে আত্মঘাতী হলেন তিনি।
জানা গিয়েছে, মৃত যুবক শঙ্কর পাল শান্তিপুর হরিপুর পালপাড়ার বাসিন্দা। পেশায় ছিলেন মৃৎশিল্পী। দৈনিক ৪০০ টাকা উপার্জনে কোনওরকমে সংসার চালাতেন। এলাকাবাসীদের দাবি, অনেকদিন ধরেই পাত্রী দেখাশোনা চলছিল কিন্তু সুশ্রী না হওয়ায় কোনও মেয়েই তাঁকে পছন্দ করছিলেন না। একই ঘটনা বারবার ঘটতে থাকায় মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় শঙ্করের দেহ উদ্ধার হয়। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে যুবকের পরিবার। শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

কি কারণে এমন চরম পদক্ষেপ নিল ওই যুবক, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়ে গিয়েছে। তবে এলাকাবাসীদের অনুমান, বিয়ের ইচ্ছে থাকলেও পাত্রী মিলছিল না। একের পর এক পাত্রী না করে মুখ ফিরিয়ে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ঘটনা মেনে নিতে পারছিল না যুবক। সেখান থেকেই আত্মহননের পথ বেছে নেয় বলে অনুমান।
কোনও পাত্রী বিয়েতে রাজি হচ্ছে না, মর্মান্তিক পরিণতি যুবকের




