নজরবন্দি ব্যুরোঃ “আমি চাই,আমাদের দিদি ২০২৪ এ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন আরএসএস মনোনীত রাষ্ট্রপতির থেকে। আর এই বিজেপির গোবরর্ধন জগদীশ ধনকরের থেকে বাংলায় ২০২৪ এ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন আমাদের প্রিয় যুবনেতা অভিষেক বন্দোপাধ্যায়”। মঙ্গলবার এধরনের পোস্ট করে জল্পনা বাড়ালেন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দার।
আরও পড়ুনঃ নাইট ক্লাবে কী করছেন রাহুল গান্ধী? ট্যুইটারে ভিডিও প্রকাশ করলেন অমিত মালব্য


নিজের ট্যুইটারে একথা পোস্ট করে জল্পনা বাড়ালেন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ। তবে তৃণমূলের অন্দরে স্কোর বাড়ানোর কাজ চলছে? কে কতটা হাইকম্যান্ডের অনুগামী? সেটাই বোঝানোর চেষ্টা চলছে? রাজনৈতিক মহলে উঠতে শুরু করেছে। সেখানে কুণালের থেকেও একধাপ এগিয়ে অপরূপা।

গতকালই তৃণমূলের সরকার গঠনের একাদশ তম বর্ষপূর্তি ছিল। এদিনেই তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের এক সৈনিক হিসেবে বলতে পারি, ২০৩৬ সাল পর্যন্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন মমতাদি। আর সেই ২০৩৬ সালে তিনি অভিভাবকের মত উপস্থিত থাকবেন এমন অনুষ্ঠানে, যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নেবেন অভিষেক। মুখ্যমন্ত্রিত্বে জ্যোতি বসুর রেকর্ড ভেঙে ভারতে নজির গড়বেন মমতাদি। তবে তার মধ্যে যদি দিল্লির এবং দেশের দায়িত্ব নিতে হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরেকরকম তো হবেই”।



সকালেই তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদককে ছাপিয়ে গেলেন অপরূপা পোদ্দার। ২০৩৬ নয়, একেবারে পরবর্তী নির্বাচনেই প্রধানমন্ত্রী পদে মমতাকে দেখতে চান তিনি। যদিও এই জল্পনা নতুন কিছু নয়, দেশে অন্যতম শক্তিশালী বিরোধী শক্তি হিসাবে প্রমাণিত করার জন্য এখন থেকেই কোমর বেঁধেছে তৃণমূল।
কুণালের থেকেও একধাপ এগিয়ে অপরূপা, মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন অভিষেক

রাজ্যের বাইরে সংগঠন বিস্তার করতে চায় তাঁরা। তবে বিশেষ নজরে রয়েছে ত্রিপুরা, অসম এবং মেঘালয়। আগামী বছর ত্রিপুরা এবং মেঘালয়ের নির্বাচনে প্রার্থী দিতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। নির্বাচনের তোরজোড় শুরু করতে চলতি সপ্তাহেই মেঘালয় যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।







