কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে সরব বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ১ ফেব্রুয়ারির ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিলেন। তা শেষ হতেই শুক্রবার থেকে ধর্নায় বসলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার জন্য আগামী তিন দিন অন্য আন্দোলনকারীদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: মেঘলা আকাশে থমকে রয়েছে শীত, আর ক’দিন বৃষ্টি চলবে বাংলায়?
শুক্রবার থেকে রেড রোডে আম্বেদকর মূর্তির কাছে ধর্না চলবে। ৪৮ ঘণ্টার এই কর্মসূচি। সূত্রে খবর, আগামী ৭ তারিখ দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন’ বিষয়ক বৈঠকে যোগ দিতে পারেন। আজ দুপুর ১২ টা থেকে ধর্নায় বসলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। জানুয়ারি মাসে উত্তরবঙ্গের সভা থেকে কেন্দ্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। সেইমতই আজ থেকে শুরু হল ধর্না। এদিন রেড রোডের কর্মসূচি থেকে কী বার্তা দেবেন মমতা, সেইদিকেই নজর থাকবে।

মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার জন্য আগামী ৩ দিন অন্যান্য আন্দোলনকারীদের অবস্থান স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। শহীদ মিনারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তবে আপাতত তাঁদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা জানিয়ে ইমেল করা হয়েছে পুলিশের তরফে।
কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে আজ থেকেই ধর্নায় মমতা, ৩ দিনের জন্য বন্ধ সব অবস্থান

বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) অভিযোগ, কেন্দ্র একশো দিনের কাজে টাকা সহ একাধিক প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে। দলের সুপ্রিমো থেকে শুরু করে সমস্ত নেতা-নেত্রীরা কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। গত বছর মার্চের শেষ দিকে রেড রোডে আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ধর্নায় অংশ নেবেন কী না তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত ২ অক্টোবর দিল্লিতে (Delhi) বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ফিরে ৬ অক্টোবর রাজভবনের সামনেই ধর্নায় বসেন তিনি। পড়ে রাজ্যপালের আশ্বাসে কেন্দ্রকে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিলেন। নতুন বছরের শুরু থেকে ফের গর্জে উঠেছে বাংলার শাসক দল।



