নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্প্রতি সর্বভারতীয় দলের তকমা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর মধ্যেই মঙ্গলবার সিঙ্গুরের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, সর্বভারতীয় দলের তকমা হারানোর পর অমিত শাহকে চারবার ফোন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জাতীয় পার্টি হিসেবে তৃণমূলের তকমা যাতে ধরে রাখতে পারে। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে এবিষয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চ্যালেঞ্জ করে দাবি করলেন, আমি ফোন করেছি প্রমাণ করতে পারলে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব।
আরও পড়ুনঃ DA Protest: একাংশের জন্য কেন্দ্রীয় হারে ডিএ! এক যাত্রায় পৃথক ফল, আরও বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই দাবি ঝুটো। ষোল আনার উপর আঠারো আনা মিথ্যে কথা। মানুষের মনে তৃণমূল সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করতে এই সব মিথ্যা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে বলেন, এই মিথ্যা ছড়ানোর জন্য কারও বিরুদ্ধে কেন আইনি ব্যবস্থা হবে না। আর যত দূর আমার প্রশ্ন, আমি ফোন করেছি প্রমাণ করতে পারলে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব।

এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল ছিল, সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল থাকবে। বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে যা ইচ্ছা করাক। মানুষের কাছে গিয়ে ইনসাফ চাইবেন বলেও জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের কজন সাংসদ রয়েছে, কজন বিধায়ক রয়েছে দেখুন। এত সাংসদ, বিধায়ক কটা রাজনৈতিক দলের রয়েছে?
প্রমাণ করতে পারলে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, বিরাট চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন মমতা

একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোন কোন পার্টি জাতীয় দলে মর্যাদা পাবে তা নিয়ে ২০১৬ সালে রিভিউ হয়েছিল। তার দশ বছর বাদে আবার রিভিউ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনই রিভিউ হল কেন? মানুষের আকাঙ্খা আগ্রহকে মর্যাদা দিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি হয়েছে। কিন্তু বিজেপি এসব বোঝে না। কারণ, সংবিধান রচনায় তাদের কোনও ভূমিকা ছিল না। ওদের যা মর্জি হচ্ছে ওরা তাই করতে চাইছে।



