আজ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সারা দেশ ও রাজ্য জুড়ে ধুমধাম করে পালিত হচ্ছে বিশ্বকর্মা পুজো। স্থাপত্য, নির্মাণশিল্প ও প্রযুক্তির দেবতা বিশ্বকর্মার আরাধনায় সকাল থেকেই ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা ছড়িয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে নানা মন্ডপে, অফিসে এবং কলকারখানায় এই পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।
এদিন কালীঘাটে নিজের বাড়ির পাশেই কলকাতা পুলিশের অফিসে আয়োজিত বিশ্বকর্মা পুজোয় হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণ ভক্তদের মতোই তিনি দেবতার আরাধনায় সামিল হয়ে এক ভিন্ন পরিবেশের সাক্ষী হলেন।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন—
“কালীঘাটে আমার বাড়ির পাশে পুলিশের অফিসে পুলিশ আজ বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করেছে। আমি ওদের সঙ্গে ছিলাম। কয়েকটি ছবি শেয়ার করে নিলাম।”
পাড়ার বিশ্বকর্মা পুজোয় অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী, মমতাকে সামনে পেয়ে উচ্ছসিত বাসিন্দারা

রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও মুখ্যমন্ত্রীর এই উপস্থিতি দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা ভীষণ উচ্ছসিত হয়ে ওঠেন। পুলিশের তরফে বিশেষ আয়োজন দেখে পাড়া-প্রতিবেশীরা জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাছ থেকে পেয়ে তাঁদের আনন্দ যেন দ্বিগুণ হয়েছে।
বিশ্বকর্মা পুজো শুধু ধর্মীয় উৎসবই নয়, বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত এক অনন্য সামাজিক পরব। এই দিনে কর্মক্ষেত্র, কারখানা, এমনকি ব্যক্তিগত বাড়িতেও যন্ত্রপাতি ও যানবাহনের পূজা করা হয়। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে আকাশজুড়ে উড়ে বেড়ায় রঙিন ঘুড়ি, যা এই পুজোর অন্যতম আকর্ষণ।


কলকাতার রাস্তায় এদিন ছোট-বড় অসংখ্য যন্ত্রপাতি, অটো, ট্যাক্সি, এমনকি সরকারি দপ্তরেও দেবতার পূজা হয়। কালীঘাটের পুজোয় মুখ্যমন্ত্রীর যোগদান যেন পুরো আয়োজনের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছে।
রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে মমতার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকার ছবি আবারও সামনে এনে দিয়েছে তাঁর জনপ্রিয়তার দিকটি। উৎসবপ্রিয় বাঙালির কাছে এমন মুহূর্ত নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আজকের দিনে বিশ্বকর্মা পুজো উদযাপনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের বিশ্বাস, শিল্প-প্রযুক্তি ও সৃষ্টিশীলতার দেবতা তাঁদের জীবনে নতুন আলো বয়ে আনবেন। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই উপস্থিতি পুজোকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা।







