লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে পাঁচ দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার কোচবিহারের কর্মসূচির শেষ করে মঙ্গলবার তৃণমূল নেত্রীর টার্গেট উত্তর দিনাজপুর! এদিন সকাল ১১টা নাগাদ চোপড়ায় জনসংযোগ যাত্রায় পা মেলালেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে চাক্ষুস দেখতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ছিল চরমে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও অনুরাগীদের দেখে এগিয়ে গেলেন, হাত নাড়লেন, নমস্কার বিনিময় করলেন। সবমিলিয়ে, বিজেপির শক্তিশালী ঘাঁটি উত্তরবঙ্গে সুকৌশলে তৃণমূলের কর্তৃত্ব স্থাপনে তৃণমূলনেত্রী সবরকম পন্থাই অবলম্বন করছেন।
উত্তর দিনাজপুরে (North Dinajpur) মঙ্গলবার তিনটি মিছিল করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চোপড়ায় জনসংযোগ যাত্রা শেষ করে ইসলামপুরে যাবেন তিনি। সেখান থেকে রায়গঞ্জে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। ইসলামপুর ও রায়গঞ্জেও এক-দেড় কিলোমিটার পদযাত্রা করার কথা। রায়গঞ্জের সভা শেষ করে সোজা বালুরঘাটে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। রাতে বালুরঘাটেই তাঁর থাকার কথা।

সোমবার কোচবিহারে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে ২১০টি রাজবংশী ভাষার স্কুলকে সরকারি স্বীকৃতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গের মানুষের এই দাবি ছিল। সেই দাবি পূরণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বুঝিয়ে দিলেন, উত্তরবঙ্গকে কোনও ভাবেই বঞ্চিত করতে চায় না রাজ্য সরকার। বরাবরই কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, রায়গঞ্জ ও বালুরঘাট জেলার রাজবংশী ভোট নিয়ন্ত্রণ করে এই জেলার ফলাফলকে। পরিসংখ্যার বিচারে, কোচবিহারে ৬২ শতাংশ, জলপাইগুড়িতে ৫০ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৩৮ শতাংশ, রায়গঞ্জে ৫২ শতাংশ এবং বালুরঘাটে ৪৮ শতাংশ রাজবংশী ভোট রয়েছে। সেই ভোটকে ঘাসফুলের ঝুলিতে টানতে বদ্ধপরিকর তৃণমূলনেত্রী।









