এবার দুর্গাপুজোর ছুটিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা নতুন গানগুলো সবার মন জয় করবে। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার বার্তা নিয়ে ১৭টি নতুন গান তিনি লিখেছেন, যা পুজোর উৎসবে সকলের মুখে মুখে গাওয়া হবে। ইতিমধ্যে এই গানগুলোর মধ্যে একটি গেয়ে শোনিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। গানটির কথায় উঠে এসেছে, ‘ওঠো বজ্র কণ্ঠে, গাও বাংলার গান, এসো রক্ষা করো ভাষার সম্মান…’ – যা বাংলার অস্মিতা ও ঐতিহ্য রক্ষার আবেদন জানায়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টিশীলতা শুধুমাত্র রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়। কবিতা লেখার ক্ষেত্রেও তিনি পারদর্শী। তার নিজের কথায়, প্রায় দেড় হাজার কবিতা তিনি রচনা করেছেন। এবার তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, গান লেখার উদ্দেশ্য হলো মানুষের মাঝে আনন্দ ও আশার বার্তা পৌঁছে দেওয়া। তিনি বলেন, “দুর্গাপুজো আমাদের সর্বজনীন উৎসব। এখানে মিলন, সম্প্রীতি আর আনন্দের বার্তা লুকিয়ে থাকে। আমি চাই আমার গানগুলি সেই বার্তাকে আরও ছড়িয়ে দিক।”


পুজোয় প্রকাশিত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৭টি নতুন গান, মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার্থে কলম ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রতিবছরের মতো এবারও কলকাতার নানা নামী পুজো মণ্ডপে মমতার লেখা গানগুলো বাজবে। গত বছর তিনি সুরুচি সংঘ পুজোর গান লিখেছিলেন। এবার শুনতে পাওয়া যাচ্ছে, টালা প্রত্যয় পুজোর গানও তাঁর হাত ধরেই রচিত হবে। মমতার নতুন গানগুলো পুজোর মরশুমে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নতুন সংযোজন হিসেবে স্থান পাবে।
এই গানের মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর আবেগ স্পষ্ট। বর্তমানে বাংলা ভাষাকে নিয়ে সামাজিক এবং রাজনৈতিক নানা আলোচনা চলতে থাকে। সেই প্রেক্ষাপটে এই গানগুলো যেন এক শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দাঁড়াবে। যারা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা পোষণ করেন, তাঁদের জন্য এই গানগুলো হবে আবেগঘন অভিজ্ঞতা।
পুজোর ছুটিতে কলকাতার বিভিন্ন প্রধান মণ্ডপে এই নতুন গানগুলি বাজবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নতুন এই সুরগুলো মিলিয়ে উঠবে উৎসবের আনন্দ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্ট এই গানগুলো বাংলা জনগণের মধ্যে ঐক্য ও আশার বার্তা বহন করবে।


বিশেষভাবে বলা যায়, এই ১৭টি নতুন গান শুধু সুর নয়, বরং বাংলা ভাষার প্রতি সশস্ত্র প্রতিবাদের প্রতীক। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম অনন্য সংযোজন হিসেবে পরিগণিত হবে। পুজোর উৎসবে সকলে মমতার এই গানগুলো শুনে তার সাহসী বার্তা উপলব্ধি করতে পারবেন।
আগামী দুর্গাপুজোর ছুটিতে এই গানগুলো ঘুরে বেড়ানোর সময়, পুজোর আনন্দের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার এমন একটি সাহসী প্রয়াস এই গানগুলো বাংলার সাংস্কৃতিক প্রাঙ্গণে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।








