নজরবন্দি ব্যুরোঃ সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি কয়লা কান্ডে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককে। সতীর্থদের পথে হেঁটে সেবার হাজিরা এড়িয়েছিলেন তিনি। তার পরেই ফের সমন এসেছিল মন্ত্রীর বাড়িতে। আজ, বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। তবে আগের বারের মতোই এবার হাজিরা এড়িয়ে গেলেন মলয় ঘটক।
আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে জোর প্রচার বামেদের, তবুও মমতার মঞ্চেই এলেন প্রাক্তন বামনেতা
২১ এর ভোটের আগে থেকেই একাধিক মামলার তদন্তে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গুলি। বিধানসভা ভোটের আগে লাইন দিয়ে ডাক পড়েছিল শাসক দলের নেতা মন্ত্রীদের। ভোট মেটার পর গতি কিছুটা শ্লথ হলেও তদন্তে নয়া গতি এসেছে বর্তমানে। একদিক থেকে ডাক পাঠানো হচ্ছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক থেকে নেতা মন্ত্রীদের।
রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের বিধানসভা কেন্দ্র আসানসোল উত্তর থেকে কয়লা পাচারের অভিযোগ উঠেছে বারবার। প্রভাবশালীদের যোগ খুঁজতে গিয়েই তদন্তের জন্য ডাক এসেছিল রাজ্যের মন্ত্রীর। প্রথম বারের হাজিরা এড়িয়েও গিয়েছিলেন, কারণ হিসেবে জানিয়েছিলেন, এতো শর্ট নোটিসে এই মূহুর্তে দিল্লি যাওয়া সম্ভব নয় তাঁর পক্ষে। প্রয়াজনে ভিডিও কনফারেন্সে তাঁর বয়ান শুনতে পারেন আধিকারিকরা।
শর্ট নোটিসে হাজিরা দিতে পারেননি গতবার, কয়লা কান্ডে সেকণ্ড টাইম তলব মলয় ঘটককে

তার পরেই ফের সমন পাঠিয়েছে দিল্লি। আর আগের বারের মতোই এবারও গরহাজির রইলেন মলয় ঘটক। ঠিক কোন কারণে তিনি বারবার অনুপস্থিত থাকছেন সেই খবর জানা না গেলেও, তিনি দ্বিতীয় বারের গরহাজিরের কথা তদন্তকারী আধিকারিকদের মেইল করে জানিয়েছেন বলেই সূত্রের খবর।
রাজ্যের নেতা মন্ত্রীদের একাধিক মামলায় বারবার তলবের ঘটনায় সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে রাজনীতির ময়দানে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারছে না গেরুয়া শিবির। তাতেই অবলম্বন করেছে অন্য পন্থা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, এজেন্সি দিয়ে রাজ্যের ন্রতা মন্ত্রীদের লাগাতার তলব করে মনোবল ভেঙে দিতে চাইছে কেন্দ্র সরকার। উল্লেখ্য কয়লাকান্ডে সমনে স্থগিতাদেশ চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে আর্জি জানিয়েছিলেন স্বস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও কোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না জানিয়ে, খারিজ করা হয়েছে অভিষেকের রক্ষাকবচের আবেদন।



