নজরবন্দি ব্যুরোঃ অবশেষে গ্রেফতার দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত রমজান আলি। দীর্ঘ ২৮ দিন ধরে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কদম্বগাছি এলাকার একটি গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আজ তাঁকে আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আবেদন জানাবে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ কেরলে বামেদের বিড়ম্বনার কারণ রাহুল! ওয়েনাড় থেকে সরছেন কংগ্রেস নেতা?
এর আগে অবৈধ বাজি কারখানার মূল পান্ডা নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। তারপর থেকেই খোঁজ চলছিল রমজানের। কিন্তু, তিনি বিগত ২৮ দিন ধরে একাধিক জায়গায় গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন। শেষমেশ তাঁকে কদম্বগাছির একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই গ্রাম থেকেও তিনি পালিয়ে যাবার ছক কষছিলেন বলে সূত্রের খবর। ধৃত রমজান ISF দলের সদস্য বলেও জানা গিয়েছে।

বিগত ২৭শে অগস্ট বারাসাত দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামের একটি অবৈধ বাজি কারখানায় ভয়ানক বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৯ জনের। আহত হন অনেকে। এরপর থেকেই পুলিশি তৎপরতা বেড়েছে বারাসাত সংলগ্ন এলাকায়। মোচপোল থেকেও উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণ শব্দবাজি এবং বারুদ। এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন অনেক বাজি ব্যবসায়ী।

পালিয়েও রেহাই মিলল না, পুলিশের জালে দত্তপুকুরকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত
বিগত চার মাসে চারটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় পুলিশ প্রশাসনকে। দত্তপুকুর বাজি বিস্ফোরণকান্ডে নাম জড়ায় তৃণমূল ও আইএসএফের। একে অপরকে দোষারোপ শুরু করে। সম্প্রতি পঞ্চায়েত ভোটে মোচপোল গ্রামে সমিতির আসন জিতেছে আইএসএফ। আর তাই তাঁদের মদতেই বাআজি ব্যবসা চলছিল বলে অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও আইএসএফ নেতাদের কথায়, এই ব্যবসা দীর্ঘদিনের আর তা চলছে শাসক দল ও পুলিশের মদতেই। এখনও আরও বাজি ব্যবসায়ীদের খোঁজে রয়েছে পুলিশ।




