সামনেই মহারণ। ঘোষণা হয়ে গেছে যুদ্ধের দিনক্ষণ। সারা দেশ জুড়ে লাগু হয়ে গেছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি। জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে শাসক- বিরোধী শিবির। নির্বাচনী প্রচারে সামান্যতম খামতি রাখতে চাইছে না রাজনৈতিক দলগুলি। মজবুত করা হচ্ছে সমস্ত দলের সংগঠন। এর মধ্যে এল বড় খবর। ফের ধাক্কা খেল উচ্চ প্রাথমিকের চাকরীপ্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া। কলকাতা হাইকোর্টের এমন সিদ্ধান্তে আশাহত লক্ষ লক্ষ চাকরীপ্রার্থী।



আরও পড়ুন : দায়িত্ব বাড়ল কাউন্সিলরদের, অন্তর্ভুক্ত করা হল নির্বাচনী কমিটিতে
আপাতত স্থগিত হয়ে গেল আপার প্রাইমারি চাকরীপ্রার্থীদের পার্সোনালিটি টেস্ট। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে হাসি ফুটেছিল এক বছরেও বেশী সময় ধরে অপেক্ষারত উত্তীর্ণ চাকরীপ্রার্থীদের। আগামী ২ এপ্রিল হওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষা। নির্বাচনী আবহে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো যাবে কিনা সে বিষয়ে বেশ ধোঁয়াশা রয়েছে। এই ধোঁয়াশা কাটাতে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়ার হয়েছে বলে জানিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।

নির্বাচনী আবহে স্থগিত উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, ফের অনিশ্চিত চাকরীপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ
তবে এখনও কোন ইতিবাচক জবাব মেলেনি। নতুন করে কবে আবার পার্সোনালিটি টেস্ট নেওয়া হবে এই বিষয়ে নির্দিস্ট করে কিছু জানা যায়নি। প্রায় ১ বছরেরও বেশী সময় ধরে শহীদ মিনারের পাশে গান্ধী মুর্তির পাদদেশে ধর্ণায় বসেছেন আন্দোলনরত চাকরীপ্রার্থীরা। চলতি বছরের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে না পারলে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যাবেন এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। ভোট জটে এবার আবার আটকে গেল নিয়োগ।









