নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার কেন্দ্রীয় আর্থিক তদন্তকারী সংস্থা ইডি অভিযানে নেমে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেলঘরিয়ার রথতলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেছে নগদ ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। টাকার পাহাড়ের পাশাপাশি ইডি আধিকারিকরা এই ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেছে ৪ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার সোনা। ঠিক একই ভাবে অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা এবং ৭৩ লক্ষ টাকার সোনা উদ্ধার করেছিল ইডি।
আরও পড়ুনঃ ‘ফোড়া পুঁজে ভরতি, এখনই ফাটানো ভালো’, তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশুর বিস্ফোরক মন্তব্য
গতকালের অভিযান মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৯ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সাথে উদ্ধার করা হয়েছে ৫ কোটি ৪ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনা। ইডি সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া সোনার মধ্যে বেশির ভাগই সোনার বাট ছিল। ১ কেজি করে তিনটি সোনার বাট উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি সোনার আংটি।

এ ছাড়াও অর্পিতার বাড়ি থেকে সোনার মোটা হার, রকমারি সোনার গয়নাও উদ্ধার করা হয়েছে। ছ’টি মোটা মোটা সোনার কাঁকন (বালা) এবং কানের ঝোলা দুল। উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি ছোট কানের দুল, কাঁকন এবং একটি সোনার পেন। ইডি আধিকারিকদের বাজেয়াপ্ত করা সোনার মধ্যে দেখা গিয়েছে দু’টি সোনার ঘড়িও।

এই ঘড়ি নিয়েও অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডি আধিকারিকরা। এবং স্বাভাবিকভাবেই মুখ খুলেছেন তিনি। সূত্রের খবর, ঘড়ি কিনেছেন না গিফট পেয়েছেন পার্থ বাবু তা তাঁর জানা নেই। তবে পার্থ বাবুর জিনিস ওইগুলো তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। গতপরশু থেকেই অর্পিতা এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে টানা জেরা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের দাবি অর্পিতা তদন্দে কোঅপারেট করলেও একেবারেই সঙ্গ দিচ্ছেন না পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
শুধুই SSC না অন্য কিছু? সোনার ঘড়ির শখ ছিল পার্থর, জোগাড় করেছিলেন শুধু পরা হলনা!


সূত্রের দাবি, এই বিপুল পরিমাণ টাকা এবং সোনা অর্পিতার হওয়া সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে হয়তো কিছুটা সত্যি কথাই বলছেন অর্পিতা। প্রশ্ন উঠছে, এই টাকা কি অর্পিতার একার হওয়া সম্ভব? কে টাকা রাখতে দিয়েছিলেন অর্পিতাকে? অর্পিতার ফ্ল্যাট কি টাকা লুকনোর জায়গা হিসাবে ব্যবহৃত হত? যকের ধনের আসল মালিক কে? মূল চাঁই কে? কিংপিন কে? কানে টান পড়ার পর কি মাথা আসবে? শুধুই কি চাকরি বিক্রির টাকা? না কি আরও দুর্নীতির টাকা?



