নজরবন্দি ব্যুরো: লাল-সবুজ জোটে ফের তপ্ত হবে ব্রিগেডের মাঠ, শিয়রে ঝুলছে বিধানসভা ভোট। নির্বাচনী ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। এহেন অবস্থায় বামেদের অবস্থান ঠিক কি সে বিষয়ে এখনও অবধি কোনও সদুত্তর মেলেনি। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের ঠিক আগে তিনটি ব্রিগেড সমাবেশ দেখেছিল তিলোত্তমা। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেডে সভা করেছিলেন দেশের প্রায় ১৯টি অ-বিজেপি দলকে নিয়ে। আর সেই সভায় প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল এআইসিসি-ও।
আরও পড়ুন: এবার বেসুরো দিব্যেন্দু অধিকারী, তৃণমূলকে ‘অবৈধ’ তকমা!
সেইসঙ্গে বামফ্রন্ট এবং বিজেপি আরও দু’টি ব্রিগেড সমাবেশ করেছিল। বামেদের সঙ্গে শেয়ানে শেয়ানে টক্কর হয়েছিল তৃণমূলের। সেবার বামেদের ব্রিগেড সভা শেষেই সন্ধ্যায় ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ধর্নায় বসেছিলেন কলকাতার তত্কালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে গ্রেফতারের ‘চক্রান্তে’র প্রতিবাদে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এনেও বিজেপি অবশ্য তখন ব্রিগেডের মাঠ পুরো ভরাতে পারেনি।
এ দিকে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্যের বক্তব্য, ”কেন্দ্রীয় নেতা-মন্ত্রীদের এনে বিজেপি বিরাট হইচই করবে, বিপুল অর্থও খরচ করবে। রাজ্যের শাসক দল হিসেবে তৃণমূলও যা করার, করবে। এদের বাইরে মানুষকে প্রকৃত বিকল্পের কথা বলার জন্য ব্রিগেড সমাবেশ উপযুক্ত মঞ্চ হতে পারে। আর জোট যখন হচ্ছে, তখন যৌথ ভাবে সেই সমাবেশ হওয়াই শ্রেয়।”
লাল-সবুজ জোটে ফের তপ্ত হবে ব্রিগেডের মাঠ, অন্যদিকে কংগ্রেস শিবির সূত্রে খবর, সিপিএম নেতৃত্ব কথা বললে তারা প্রস্তাবকে স্বাগত জানাবে। দলের এক সাংসদের কথায়, ”খুবই ভাল প্রস্তাব! বিষয়টি চূড়ান্ত হলে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও কথা বলতে পারি, তাঁদের কাউকে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে।” ওই নেতার আরও বক্তব্য, ”কে তোলাবাজ, কে বিশ্বাসঘাতক, এই নিয়ে তরজা চলছে! কিন্তু তেল-গ্যাসের দাম যে বেড়ে চলেছে, কর্মসঙ্কোচন বাড়ছে, এই সব জরুরি বিষয় আলোচনাতেই আসছে না। ক্ষমতার হুঙ্কার থেকে জরুরি বিষয়ের দিকে মানুষের নজর টেনে আনতেই হবে।”



