নজরবন্দি ব্যুরোঃ মারন করোনার সঙ্গে লড়াই চালাতে চালাতেই নিউমোনিয়ার কবলে পড়েছিলেন ৯২ এর কোকিল কণ্ঠী। তবে সহজে দমে জাননি তিনি, মুম্বাইয়ের ব্রিজ ক্যান্ডি হাসপাতালে থেকে টানা ২৭ দিন অনবড়ত লড়াই করে আজ জীবন যুদ্ধের হার মানলেন লতা মঙ্গেশকর। বলাবাহুল্য, সঙ্গীত জগতের পাশাপাশি ক্রিকেটের প্রতি অনুরাগ ছিল অসামান্য, তাই সুযোগ পেলেই ভারতীয় দলের খেলা দেখতে মাঠে হাজির হতেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ Lata Mangeshkar: স্তব্ধ হল কোকিলকণ্ঠ, প্রয়াত সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর।


মূলত সুনীল গাভাস্করের বিরাট ভক্ত হলেও পরবর্তী সময়ে শচীন তেন্ডুলকরের সঙ্গেও যথেষ্ট নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে এই শিল্পীর। যারফলে একাধিকবার এই শিল্পীর বাড়িতে যেতে দেখা যায় মিস্টার মাস্টার ব্লাসটার কে। তবে ভারতীয় দলের সঙ্গে ভালো সম্পর্কই নয়, দুঃসময়ে বিসিসিআইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন লতা। বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেট মহলে অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রিকেট বোর্ড হিসেবে বিবেচিত হলেও একটা সময় আর্থিক সমস্যায় কারণে প্রশ্নের মুখে পড়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট।
সেইসময় পাশে এসে দাঁড়ান এই কোকিল কণ্ঠী। সময়টা তখন ১৯৮৩ সাল, কপিল দেবের হাত ধরে প্রথমবারের মতো ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফেরে ভারতীয় ক্রিকেট দল। যা নিয়ে আনন্দের ঢেউ বয়ে গিয়েছিল গোটা দেশে। কিন্তু সেসময় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় ভারতীয় দলের খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান কে ঘিরে দেখা দিয়েছিল ধোঁয়াশা।
ক্রিকেটের প্রতি অনুরাগ ছিল অসামান্য, সাহায্য করেছিলেন বিসিসিআই কে

সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন লতা মঙ্গেশকর। মুম্বাইয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান করে সেখান থেকে সংগৃহীত একবিরাট অঙ্কের টাকা বিসিসিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এই শিল্পী। সেখান থেকেই ভারতীয় দলের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রত্যেক ক্রিকেটার কে সোনার চেন উপহার দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রয়োজনে সর্বদা এগিয়ে আসতেন এই শিল্পী। তাই আজ তাঁর প্রয়ানে কার্যত অবিভাবক হারা ভারতীয় ক্রিকেট মহল।









