অপারেশন সিঁদুরের পরও শিক্ষা হয়নি পাকিস্তান ও তার মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলির। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কাশ্মীরকে অশান্ত করতে আরও বড়সড় নাশকতার ছক কষছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা। শুধু তাই নয়, সংগঠনটি নাকি একটি নতুন ‘ছায়া সংগঠন’ তৈরির প্রস্তুতিও শুরু করেছে। এবার তাদের প্রধান নিশানায় হিন্দু সম্প্রদায়—এই তথ্য সামনে আসতেই চরম উদ্বেগে নিরাপত্তা মহল।
সম্প্রতি পাক অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের একটি জনসভা থেকে প্রকাশ্যেই ভারতকে হুমকি দিয়েছে লস্করের শীর্ষ জঙ্গি আবু মুসা। তার বক্তব্য, “কাশ্মীর সমস্যার সমাধান একমাত্র জেহাদের মাধ্যমেই সম্ভব।” আরও ভয়াবহভাবে সে হিন্দুদের বেছে বেছে হত্যার আহ্বান জানায়। এই উসকানিমূলক বক্তব্যের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে আবু মুসাকে বলতে শোনা যায়, “ভিক্ষা করে স্বাধীনতা পাওয়া যায় না। স্বাধীনতা চাইলে হিন্দুদের গলা কাটতে হবে।” এখানেই থামেনি সে। তার দাবি, এই বার্তা সে নাকি ব্যক্তিগতভাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং আরও কয়েক জন পাক মন্ত্রীকে জানিয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানাচ্ছে, পহেলগাঁও হামলার আগেও একই ধরনের উসকানিমূলক ভাষণ দিয়েছিল এই আবু মুসা।
স্বাভাবিকভাবেই এই নতুন হুমকিকে মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছে না ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। প্রশ্ন উঠছে—উপত্যকায় কি তবে শীঘ্রই বড়সড় কোনও নাশকতার ছক বাস্তবায়িত হতে চলেছে? ভিডিওটি সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনী। কাশ্মীরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে, চলছে ব্যাপক চিরুনি তল্লাশি।
গোয়েন্দাদের মতে, এই ধরনের ঘৃণামূলক ও হিংসাত্মক বার্তার মূল উদ্দেশ্য হল তরুণদের মগজধোলাই করে জেহাদের পথে টেনে আনা। তাই শুধু অস্ত্রের লড়াই নয়, আদর্শিক লড়াইটাকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।






