নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষের অভিযোগ ছিল তাঁকে জেলের ভিতরে হেনস্থা করা হচ্ছে। পুলিশ ও সিবিআইকে যৌথভাবে তদন্তের নির্দেশ দেয় বিশেষ সিবিআই আদালত। কয়েক সপ্তাহ আগেই এই মামলায় স্থগিতাদেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ কুন্তল ঘোষ।
আরও পড়ুন: ‘চোর-চরিত্রহীন’? সৌমিত্রর নামে পোস্টার, বাঁকুড়ায় বিষম বিড়ম্বনায় বিজেপি!
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ গত মে মাসে নিম্ন আদালতে বিচারকের ঘরে গিয়ে অভিযোগ জানিয়ে এসেছিলেন কুন্তল ঘোষ। তাঁর দাবি ছিল, তাঁকে জেরা করার নামে কেন্দ্রীয় সংস্থা হেনস্থা করছে। কুন্তলের অভিযোগের ভিত্তিতে যৌথ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিশেষ সিবিআই আদলতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়। কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার ও সিবিআই-এর যুগ্ম অধিকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই মত তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যে হাইকোর্টে গিয়ে এই তদন্তের বিরোধিতা করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই।

সিবিআই আদালতে যুক্তি দেয়, যে সময়ে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি করছেন কুন্তল, সেই সময়ে কোর্টে পেশ করা হলেও এ বিষয়ে কিছু বলেননি। পরে বিচারকের চেম্বারে গিয়ে তাঁকে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। এভাবে ক্যামেরাহীন একটা ঘরে অভিযুক্তকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বিচারক কেন কথা বললেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সিবিআই। সেই আর্জি শোনার পর নিম্ন আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

নিম্ন আদালতের নির্দেশ দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই মামলায় সিবিআই তদন্ত করছে, তাতে পুলিশকে কেন যুক্ত করা হল, তা নিয়ে বুধবারই আদালতে প্রশ্ন তোলেন তিনি। কুন্তলের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সংস্থা জেরা করার তাঁকে হেনস্থা করছে। বিচারপতি সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আবেদন সিবিআই ও কলকাতা পুলিশের যৌথ তদন্তে নিম্ন আদালতের নির্দেশ পুনর্বহাল করতে হবে ও তাঁর পক্ষের বক্তব্য শুনতে হবে।
হেনস্থার অভিযোগে তদন্তে কেন স্থগিতাদেশ, বিচারপতি সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ কুন্তলের




