নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কুন্তল ঘোষ থেকে গোপাল দলপতি সহ একাধিক তৃণমূলের নেতাদের ক্রমাগত নাম জড়াচ্ছে। যা নিয়ে চরম বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হচ্ছে শাসক দলের নেতাদের। যা নিয়ে শুক্রবার দলীয় নেতৃত্বকে অবস্থান স্পষ্ট করতে বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। এবার মদনকে মিত্রকে কুণালের যুক্ত দলের অন্দরেই বলুন।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার মদন মিত্রকে বলতে শোনা যায়, কুন্তল বলে একটি ছেলে বলছে সব টাকা আমি দলপতিকে দিয়েছি। সেই দলপতিটা কে? কেউ আগে বলেছিল? যা আমরা করতাম সব কাকুকে দিয়েছি। পরে একজন বলেছে আমাকে ওরা কাকু বলত। কে এদের সুঁচ দিয়ে ঢুকিয়ে দিল এই ষড়যন্ত্রের মধ্যে? তৃণমূল নেতৃত্ব অবস্থান স্পষ্ট করে দিক৷ একজন তো দাঁড়িয়ে বলুন এরা তৃণমূল করে অথবা করে না৷

যদি সে যুবর দায়িত্বে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই কাগজ রয়েছে৷ সেটা বের করতে বলুক। যে সব নাম উঠে আসছে, এদের নাম বলতে ঘেন্না করছে। এত পচা মালেরা তৃণমূল করে! কারা এদের নেতা? কারা এদের তৃণমূলে ঢোকাচ্ছে। কাদের সঙ্গে যোগাযোগ? আমরা চাই। কারা তৃণমূল করছে মিটিং ডাকা হোক। অবশ্য তৃণমূল আমরা তলার লেভেলে করি বলতে পারব না৷
দলের অন্দরেই বলুন, মদনকে যুক্তি কুণালের

এরপরেই কুণাল বলেন, এই ধরনের কেউ যদি চড়ান্ত বিচ্যুত হন বা অন্যায় কাজ করেন, নিশ্চিতভাবেই তাঁর সমালোচনা হবে। কিন্তু মদন দা একজন সিনিয়র নেতা, দলের বিধায়ক, আমার মনে হয় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, যদি নির্দিষ্ট করে কিছু বলার মনে হয়, দলের অন্দরেই বলুন। হতেই পারে এই নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। সেটা দলের মধ্যে বলা ভালো। সেখানে দল যতটা সম্ভব চেষ্টা করছে এসব কিছু থেকে মুক্ত হওয়ার। সেই প্রক্রিয়া চলাকালীন এভাবে প্রকাশ্যে বলাটা বোধহয় ঠিক নয়।



