নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূলের তরফে সাফ জানানো হয়েছে ২৪ এর ভোটের আগে এই মূহুর্তে দলের প্রথম টার্গেট ত্রিপুরা। দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে এ রাজ্যের শীর্ষ নেতাদের। বারবার বিপ্লব গড়ে বাধা পেয়েও ব্যাক টু ব্যাক প্রচার চালাচ্ছেন তৃণমূলের নেতা নেত্রীরা। গত কয়েক মাসে বহুবার রাস্তায় নেমেছেন মা মাটি মানুষের নেতা নেত্রী-কর্মীবৃন্দ।
আরও পড়ুনঃ আদালতে হাজির ডিজি মালব্য, সবিস্তারে তলবের কারণ জানালো কোর্ট
প্রচারে গিয়ে ত্রিপুরায় পুলিশের জালে আটক পড়েছিলেন বাংলার যুব নেতারা। তাঁদের ছাড়িয়ে আনতে গিয়ে থানায় বেশ কিছুক্ষণ বসেছিলেন অভিষেক সহ তৃণমূলের এক ঝাঁক নেতা নেত্রী। তার পরেই সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কুনাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের মোট ৬ জন নেতার বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে ত্রিপুরা পুলিশ।
সেই মামলার মামলার ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিপ্লব গড়ে গিয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। প্রথমে খোয়াই থানায় যেতে বলা হলেও আচমকা স্থান পরিবর্তন করে ত্রিপুরা পুলিশ। সেই প্রসঙ্গে কুণাল বলেছিলেন, “খোয়াই থানা নোটিস দিয়েছিল। ১০ দিনে আসতে হবে। আমি চার দিনেই যাব বলি। ফোনে আইও-কে জানাই ২১/৯ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে এগারোটায় খোয়াই থানায় যাব। ২০ তারিখ, সোমবার আগরতলা আসি। খোয়াই থানা আমাকে ফোন করে জানায় খোয়াই আসবেন না। আমরাই আগরতলা যাচ্ছি। এনসিসি থানায় ১২ টায় আসুন। আমি কিন্তু খোয়াই যেতে তৈরি ছিলাম।”
ত্রিপুরায় জিজ্ঞাসাবাদের শেষে অসুস্থ কুণাল ঘোষ, তৃণমূল মুখপাত্রের অভিযোগ জেরার নামে হয়রান করছে বিপ্লব গড়ের পুলিশ।

নির্দেশ মতো, সময়ের কিছু আগেই বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সেখানে পৌঁছে যান তিনি। তবে জেরা যে একেবারে মসৃণ হয়নি তা কুণাল নিজেই জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ জেরার নামে ডেকে দফায় দফায় হয়রানি করা হয়েছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের পরেও তিনি সহযোগীতা করেছেন বলে জানানো হয়েছে থানার তরফে। এতোদূর পর্যন্ত সব ঠিক থাকলেও থানা থেকে বেরোবার সময়েই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন কুণাল ঘোষ। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।



