নজরবন্দি ব্যুরো: দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলির পাশাপাশি কলকাতা (Kolkata)-সহ সংলগ্ন এলাকায় আজ বিকেল পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো বৃষ্টি চলবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় তীব্র বৃষ্টিপাতের জন্য লাল-কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে, অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হলুদ সতর্কতা (Yellow Alert) রয়েছে। বিশেষত কলকাতা, হাওড়া (Howrah), হুগলি এবং দুই ২৪ পরগনায় দুপুরের দিকে বৃষ্টির দাপট অনেকটাই বেশি থাকবে।
মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং (Darjeeling), জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ধস নামার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আবহাওয়া দফতর সতর্ক করেছে। কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টি হবে। অপরদিকে মালদহ এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে।
আজ দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা সর্বোচ্চ, যা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ। দুপুর ১টা ৩০ থেকে ২টা ৩০ পর্যন্ত সময়ে ঝোড়োবৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সময়ে বাইরে বেরোলে ছাতা রাখার পাশাপাশি বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা রয়েছে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে এই অঞ্চলগুলিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দুই মেদিনীপুর জেলায় মেঘলা আকাশের পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলেও আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি অনেকটাই বেশি থাকবে।


বিকেল ৪টা ৩০-এর পর থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কমে হালকা বৃষ্টিতে পরিণত হবে। সন্ধে ৬টা ৩০ থেকে রাত ৮টা ৩০ পর্যন্ত টিপটিপ বৃষ্টি হতে পারে, তারপর আকাশ প্রধানত মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই বললেই চলে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে এমন আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি চলাকালীন পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



