নজরবন্দি ব্যুরোঃ পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিতে রাজি তবে শর্ত আছে কঙ্গনা রানাউতের। ১৯৪৭ সালে ভিক্ষের স্বাধীনতা পেয়েছে ভারত। তাঁর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। গ্রেপ্তারির দাবির সাথে উঠেছে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ। বুধবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা বলেন, ভারত প্রকৃত স্বাধীনতা পেয়েছে ২০১৪ সালে, যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীনতা পায়নি। ওটা ছিল ভিক্ষা।
আরও পড়ুনঃ অঘোষিত বসন্তের সন্ধায় রঙিন শোভন বৈশাখী, মেয়ের জন্মদিনে ‘ফিকে’ বাবা মনোজিৎ!
কঙ্গনার এই বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড় উঠেছে দেশজুড়ে। বিজেপি ঘেঁষা এই অভিনেত্রী আক্রমনের মুখে পড়েছেন বিজেপি নেতা বরুন গাঁধির। বরুন লিখেছিলেন, “কখনও মহাত্মা গান্ধীর ত্যাগ ও তপস্যাকে অপমান, কখনও ওঁর হত্যাকারীকে সম্মান। আর এবার শহিদ মঙ্গল পান্ডে থেকে শুরু করে রানি লক্ষ্মীবাঈ, ভগৎ সিং, চন্দ্রশেখর আজাদ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও আরও অসংখ্য স্বাধীনতা সংগ্রামীর বলিদানকে অবজ্ঞা। এটাকে পাগলামি বলব নাকি বিশ্বাসঘাতকতা?”
মহারাষ্ট্রের বিজেপি সভাপতি চন্দ্রকান্ত পাটিল বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা নিয়ে কঙ্গনার মন্তব্য সম্পূর্ণ ভুল। দেশের স্বাধীনতা নিয়ে কুমন্তব্য করার কোনও অধিকার কারও নেই। এনসিপি নেতা নবাব মালিকও তোপ দাগেন কঙ্গনার উদ্দেশ্যে। নবাবের মন্তব্য, “সম্ভবত উনি (Kangana Ranaut) আজকাল অতিরিক্ত মাদক নিচ্ছেন!” বিজেপি, এনসিপি ছাড়াও কংগ্রেস, শিব সেনা, আম আদমি পার্টির মতো দল গর্জে উঠেছেন কঙ্গনার মন্তব্যে। ক্রমেই চাপ বাড়ছে কঙ্গনার উপরে।
সম্ভবত সেই চাপ সামলাতে না পেরেই পালটা আক্রমনের রাস্তায় নামলেন কঙ্গনা রানাউত। ট্যুইটারে নিষিদ্ধ থাকার কারনে তিনি পোস্ট করেন ইনস্টাগ্রামে। লেখেন পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিতে রাজি তবে শর্ত আছে। যা পূরণ হলেই তিনি ফিরিয়ে দেবেন পদ্ম সম্মান। তা কি সেই শর্ত?
পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিতে রাজি তবে… ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রমান চান কঙ্গনা।

১৮৫৭ সালেই প্রথমবার দেশ স্বাধীনতার জন্য একজোট হয়েছিল। সেই সঙ্গে সুভাষচন্দ্র বসু, রানি লক্ষ্মী বাই ও বীর সাভারকরের কথাও জানিয়েছিলাম আমি। ১৮৫৭ সালের কথা আমি জানি। কিন্তু ১৯৪৭ সালে কোন যুদ্ধ হয়েছিল, তা আমি জানি না। যদি কেউ তা আমার নজরে তা আনতে পারেন তাহলে আমি আমার পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দেব। ক্ষমাও চাইব। দয়া করে আমাকে এবিষয়ে সাহায্য করুন।



