নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার মত অতিমারির পরিস্থিতি দেখা দেওয়ায় গতবছর সমস্ত পুজোর প্যান্ডেলে আমজনতার প্রবেশের অনুমতি খারিজ করেছিল মহামান্য আদালত। পাশাপাশি রাজ্য জুড়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সমস্ত রকমের আতসবাজী। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর পরিবেশ বান্ধব বাজিতে সবুজ সংকেত প্রদান করা হলেও পুজো কে ঘিরে নয়া নিয়মনীতি জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট।
আরও পড়ুনঃ ‘প্রশান্ত কিশোর আসলে মোদীর এজেন্ট’, বিস্ফোরক অধীর
এবারের দুর্গাপুজো তে গতবারের একাধিক নিয়ম নীতি শিথিল করে পুজো পরিচালনার অনুমতি দিয়েছিল হাইকোর্ট। প্রথম দিকে সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে ও পুজো এগোনোর সাথে সাথে দেখা যায় শহরের একাধিক পুজো মণ্ডপ জুড়ে ভিড় করে রয়েছেন লাখো লাখো দর্শনার্থী। যা দেখে শিউরে উঠেছিল চিকিৎসকরা তাই এবার পুজোর আগের দিনেই শক্ত হাতে গোটা বিষয়টি পরিচালনা করতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট।
সেই কারনেই আজ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার তরফ থেকে জানানো হয়, শুধুমাত্র মাস্ক-স্যানিটাইজার কিংবা কোভিডের দুটি ডোজ সমাপ্ত নেওয়া সমাপ্ত করলেই যে ছাড়পত্র মিলবে এমনটা হতে পারে না। এক্ষেত্রে ভেকশিন হলেই ছাড়পত্র হতে পারে না। করোনা নিয়ে সাধারণ মানুষ কেও যথেষ্ট দায়িত্বশীল হতে হবে। তাই গতবছরের মত এই বছর ও সমস্ত প্যান্ডেলে নির্দিষ্ট সংখ্যক দর্শনার্থী ছাড়া প্রবেশ করানোর অনুমতি প্রদান করা হবে না।
এছাড়াও আদালতের তর থেকে যে নির্দেশে জারি করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ছোট ও বড় প্যান্ডেলের ক্ষেত্রে দর্শনার্থী সংখ্যা নির্দিষ্ট করতে হবে। তার বেশি দর্শনার্থী মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবে না। পাশাপাশি আতসবাজী কে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে যে নির্দেশিকা এসেছে সেটাই বহাল রয়েছে।
এবার কালীপুজোতে ও প্রবেশ করা যাবে না মণ্ডপে, নির্দেশ হাইকোর্টের

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে গোটা রাজ্যে সংক্রমণের হার খুব একটা না থাকায় কিছুটা হলেও স্বস্তি দেখছেন চিকিৎসকরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন আসন্ন কালীপুজো তে হাইকোর্টের নিয়মনীতি মেনে চলতে পারলে অনেকটাই নিরাপদ থাকবে পশ্চিমবঙ্গ।




