নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০১৬ এবং ২০২০ সালে যে নিয়োগ হয়েছিল তার নথি চেয়ে পাঠিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আজ কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে সেই নথি পেশ করে পর্ষদ। সেখান থেকে ফাইল খুটিয়ে দেখতেই চুড়ান্ত অনিয়ম নজরে আসে বিচারপতির। অর্থাৎ পর্ষদের নথিতেও চুড়ান্ত অনিয়ম দেখতে পান বিচারপতি।
আরও পড়ুনঃ চাকরি প্রার্থীর ৫৩১ নম্বর কমিয়েছে পর্ষদ, হলফনামা চাইল হাই কোর্ট
অভিযোগ, পর্ষদের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছিলেন বিচারপতি। কিন্তু বিস্তারিত রিপোর্ট পর্ষদের তরফে দেওয়া হয়নি। সেখানে মোট নম্বর দেওয়া থাকলেও বিষয় ভিত্তিক নম্বর এবং টেটের নম্বর আলাদা করে উল্লেখ করা হয়নি। সাধারণভাবেই যে উদ্দেশ্য নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই নথি চেয়ে পাঠিয়েছিলেন, সেখানে এই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

বিচারপতি সরাসরি পর্ষদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বিচারপতি। একইসঙ্গে এই নথির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সেকারণেই এই নথি ফেরত পাঠান বিচারপতি। সমস্য কম থাকার কারণে নম্বর বিভাজন করা সম্ভব হয়নি বলে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে জানায় পর্ষদ। তাই ২১ সেপ্টেম্বর অবধি সময় দিয়েছে আদালত।

পর্ষদের নথিতেও চুড়ান্ত বেনিয়ম, ফেরত পাঠালেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নম্বর বিভাজন সহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন দেহরক্ষীর পরিবারের ১০ জনকে বেনিয়মে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলাতেই নম্বর বিভাজন সহ নথি চেয়ে পাঠিয়েছিল আদালত। কিন্তু পর্ষদের তরফে তা নিয়ম মেনে পাঠানো হয়নি। তাই ১০ জনকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই। জানিয়ে দিল আদালত।



