নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্ত নিয়ে এর আগেই উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের নির্দেশেই গ্রুপ ডি মামলার তদন্তের জন্য সিট গঠন করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সিটের পুনর্গঠন করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সিবিআইয়ের সিট থেকে বাদ দিলেন দুই জনকে।
আরও পড়ুনঃ Birbaha on Suvendu: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করলেন বীরবাহা, বিরাট পদক্ষেপ
গত ১৮ মে গ্রুপ ডি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপর সাত মাস কেটে গেলেও মাত্র ১৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মাত্র হাতেগোনা মানুষকে কেন তলব করা হল? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সিবিআইয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, যেহেতু বিষয়টির মধ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে, সেটাকেই খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন চাকরি প্রার্থীরা।

এরপরেই সিবিআইয়ের সিটে পুনর্গঠনের জন্য ৪ জনের নাম চেয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সিবিআইয়ের তরফে চার জনের নাম দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ২ জনকে সরিয়ে ৪ জনের নাম যুক্ত করা হয়েছে। এই চার জন হলেন, অংশুমান সাহা (ডেপুটি সুপার), বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, প্রদীপ ত্রিপাঠী এবং ওয়াসিম আক্রম খান। বাদ দেওয়া দুই জন এই সংক্রান্ত কোনও নথিতে হাত দেবেন না।
প্রসঙ্গত, এর আগে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। পরে অবশ্য বলেছিলেন, সিবিআইয়ের প্রতি আশা রয়েছে। সিবিআই ম্যাজিক দেখাতে পারে বলেছিলেন তিনি।
সিটের পুনর্গঠন করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, বিরাট চটলেন বিচারপতি

এরপর কলকাতা হাইকোর্টের অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, এদিন অবশ্য সিবিআইয়ের লোকবল নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য, লোক কোথায়? সিবিআইকে লোক বাড়াতে হবে। আমার চোখে যা আসছে, তাতে আরও দুর্নীতির ইঙ্গিত রয়েছে। সেক্ষেত্রে লোক না বাড়ালে হবে না। প্রয়োজনে এই নিয়ে কোর্টের অর্ডার দেওয়া হবে, কারণ সিবিআই আরও বহু মামলার তদন্ত করছে।









