আরজিকর ধর্ষণ ও খুন মামলায় তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও জামিন পেলেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। ৯০ দিনের মাথায় সিবিআই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করে।সন্দীপ ঘোষের জামিনের খবরে আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকদের মধ্যে গভীর হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের অন্যতম নেতা চিকিৎসক আসফাকুল্লা নাইয়া বলেন, “জামিনের শর্ত অনুযায়ী, যেকোনো তদন্তের জন্য সন্দীপ ঘোষকে উপস্থিত হতে হবে। তবে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।”
এসএফআই এবং বামপন্থী নেতারাও গোটা ঘটনায় সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এসএফআই নেতা এবং সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ দাবি করেছেন, “এই ঘটনায় তৃণমূল এবং বিজেপির আঁতাত স্পষ্ট।” তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই জানিয়েছিল, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিন্তু ৯০ দিন পরেও চার্জশিট জমা করতে ব্যর্থ হওয়ায় সিবিআইয়ের কার্যকারিতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
সন্দীপ ঘোষ এবং অভিজিৎ মণ্ডল দুজনেই ২,০০০ টাকার বন্ডের বিনিময়ে জামিন পেয়েছেন। তবে আরজিকরের আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জামিন না পাওয়ায় সন্দীপ ঘোষ এখনও জেলে থাকবেন। অপরদিকে, অভিজিৎ মণ্ডল জেল থেকে মুক্ত হতে পারবেন। বামপন্থী নেতৃত্ব অভিযোগ তুলেছে, এই জামিনের ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। সিবিআইয়ের ভূমিকা এবং মামলার গতি নিয়ে নতুন করে তদন্তের দাবি তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।



