পাপিয়া অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা, বিজেপিতে যাচ্ছেন স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী জুঁই বিশ্বাস?

পাপিয়া অধিকারীর সঙ্গে ভাইরাল হওয়া সাক্ষাতের ছবি ঘিরে বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা উড়িয়ে দিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। জানালেন সাক্ষাতের আসল কারণ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

রাজ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহে এবার জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে দলবদলের জোর গুঞ্জন। তবে সেই জল্পনায় নিজেই ইতি টানলেন জুঁই।

সম্প্রতি স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন জুঁই বিশ্বাস। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের আলাদা থাকা এবং বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার খবর রাজনৈতিক মহলেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল।

এরই মধ্যে বুধবার পাপিয়া অধিকারী ও জুঁই বিশ্বাসের একটি সৌজন্য সাক্ষাতের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই ছবি ঘিরেই শুরু হয় নতুন জল্পনা। অনেকের প্রশ্ন, রাজ্যে একের পর এক রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের মাঝে কি তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৃণমূলের এই জনপ্রতিনিধি?

বর্তমানে জুঁই বিশ্বাস দক্ষিণ কলকাতার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ১০ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সন। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পুর প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতার অবস্থান পরিবর্তনের জল্পনার মধ্যে তাঁর নামও আলোচনায় উঠে আসে।

তবে বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন জুঁই বিশ্বাস। তাঁর বক্তব্য, পাপিয়া অধিকারী একটি সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত বৈঠকে অংশ নিতে ১০ নম্বর বরো অফিসে এসেছিলেন। প্রথমবার ওই দপ্তরে আসায় সৌজন্যবশত তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়েছিল।

জুঁইয়ের দাবি, এটি ছিল সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। কোনও রাজনৈতিক বার্তা বা দলবদলের ইঙ্গিত এর সঙ্গে জড়িত নয়। বরং ভবিষ্যতে বরো এলাকার অন্তর্গত যে কোনও বিধায়ক বা জনপ্রতিনিধি অফিসে এলে একই ধরনের সম্মান জানানো হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

তাঁর কথায়, পাপিয়া অধিকারীকে অভ্যর্থনা জানানোকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিজেপিতে যোগদানের জল্পনাকে তিনি সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন।

রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ছোট্ট একটি সৌজন্য সাক্ষাৎও যখন বড় রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠছে, তখন জুঁই বিশ্বাসের এই ব্যাখ্যা অনেক প্রশ্নের উত্তর দিলেও জল্পনা পুরোপুরি থামবে কি না, সেটাই এখন দেখার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন