‘১২ ডিসেম্বর আইনি ভাবে বিচ্ছেদ হয়েছে’—ছেলে যশোজিৎকে সামনে রেখে নতুন অধ্যায় শুরু জয়জিতের

দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান। অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, ডিসেম্বরেই তাঁর ও শ্রেয়ার ডিভোর্স হয়েছে। ছেলেকে আগলে রাখাই এখন দু’জনের অগ্রাধিকার।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

টলিপাড়ার অন্দরে দীর্ঘদিন ধরেই ফিসফাস চলছিল। নতুন বছরের শুরুতে সেই জল্পনাতেই ইতি টানলেন অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্ট জানালেন—গত ১২ ডিসেম্বর তাঁর এবং স্ত্রী শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়-এর আইনি বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট প্রতিক্রিয়ায় জয়জিৎ বলেন, “১২ ডিসেম্বর আমাদের ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে।” দীর্ঘদিন আলাদা থাকার পর যৌথ সিদ্ধান্তেই এই পথে হাঁটার কথা জানিয়েছেন অভিনেতা।

‘রাগ বা হিংসা নেই’

জয়জিতের কথায়, “প্রায় দু’বছর ধরে আমরা আলাদা ছিলাম। এখানে কারও প্রতি কারও রাগ নেই, হিংসা নেই। দু’জনেই বুঝে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তাঁর মতে, সম্পর্ক যখন বিষাক্ত হয়ে ওঠার ঝুঁকি থাকে, তখন সেখান থেকে সম্মানজনক ভাবে বেরিয়ে আসাই শ্রেয়।

ছেলেকে আগলে রাখাই অগ্রাধিকার

জয়জিৎ ও শ্রেয়ার একমাত্র সন্তান যশোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে কলেজে পড়াশোনা করছে। ছেলের কথা ভেবেই এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি কথা বলতে চাননি অভিনেতা। তিনি জানান, পরিবারের বড়রা—বিশেষ করে তাঁর মা-বাবাই যশোজিৎকে বড় করেছেন।

“আমি ওকে স্পষ্ট করে বলেছি—আমার প্রতি যেমন ওর দায়িত্ব আছে, তেমনই মায়ের প্রতিও সমান দায়িত্ব আছে,” বলেন জয়জিৎ। ছেলের উপর দাম্পত্য টানাপোড়েনের কোনও ছাপ পড়ুক, তা তিনি চান না।

ব্যক্তিগত জীবনে সংযম

কিছুদিনের প্রেমের পর শ্রেয়ার সঙ্গে সংসার শুরু করেছিলেন জয়জিৎ। সেই সম্পর্কের স্মৃতিকে অস্বীকার করছেন না অভিনেতা। বরং বলছেন, “আমরা অনেক ভাল সময় কাটিয়েছি। কিন্তু এটা আনন্দের খবর নয়, তাই ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোষণা করিনি।”

এই মুহূর্তে কাজ বা নতুন সম্পর্কের চেয়ে ছেলের মানসিক সুস্থতা ও ভবিষ্যৎই তাঁর প্রধান ভাবনা—এ কথাই বারবার জোর দিয়ে বললেন অভিনেতা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর