অবশেষে সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেলেন নিয়োগ মামলায় হেফাজতে থাকা বড়ঞার তৃণমূলের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। এই মুহূর্তে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে ২৫ নম্বর সেলে বন্দি রয়েছেন তিনি। আর এই খবর দিল্লি থেকে কলকাতায় পৌঁছতেই জেলে বসে কেঁদে ভাসালেন জীবনকৃষ্ণ।
আরও পড়ুন: বিজেপি বাংলায় ৩০ আসন পেলে আপনার সময় শেষ, মমতাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলেন শাহ
নিয়োগ মামলায় ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন জীবনকৃষ্ণ সাহা। যেদিন তাঁর বাড়িতে কেন্দ্রীয় এজেন্সি হানা দেয় সেদিন মোবাইল ফোন পাশের পুকুরের জলে ছুঁড়ে ফেলে দেন তিনি। এরপর জামিনের জন্য কলকাতা হাই কোর্টে আবেদনও করেন জীবনকৃষ্ণ। কিন্তু, জামিন মেলে না। এরপর শীর্ষ আদালতে আর্জি জানান তিনি।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এএস বোপান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের এজলাসে ছিল জীবনকৃষ্ণের জামিনের আবেদনের মামলার শুনানি। আর সেই শুনানিতেই জামিনের রায় দেন বিচারপতিদ্বয়। জীবনকৃষ্ণের আইনজীবীরা আডালোটে জানান, নিয়োগ মামলার চার্জশিটে নাম থাকা ২৩ জনের মধ্যে ৯ জন গ্রেফতার হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তাঁদের মধ্যে তিন জন জামিন পেয়ে যান। এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রসন্ন এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জামিন পেয়েছেন।

জীবনকৃষ্ণকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট, খবর পেয়েই কেঁদে ভাসালেন নিয়োগ মামলায় ধৃত TMC বিধায়ক
পাল্টা, সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, মোবাইল ফোন পুকুরে ফেলে দিয়ে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছেন জীবনকৃষ্ণ। তবুও এদিন পাল্লা ভারী ছিল তাঁর পক্ষেই। ফলে, ১৩ মাস জেলবন্দি থাকার পর শীর্ষ আদালতে জামিন পেলেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক।




