আড়িয়াদহকাণ্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত জয়ন্ত সিং। বৃহস্পতিবার বেলঘরিয়া থানায় আত্মসমর্পণের পর গ্রেফতার করে পুলিশ। আড়িয়াদহকাণ্ডের ৪ দিন পর গ্রেফতার জয়ন্ত। তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসা বাদ পুলিশের। তবে পুলিশ নিজে থেকে গ্রেফতার করতে না পারায় উঠছে প্রশ্ন।
প্রসঙ্গত, আড়িয়াদহে মা ছেলেকে নৃশংস মারধরের ঘটনায় ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ছিল মূল অভিযুক্ত জয়ন্ত সিং ওরফে বাহুবলী। তবে কেনো ঘটনার ৪ দিন পর হয়ে গেলেও কেনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ সে নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কোন প্রভাবশালীর হাত থাকায় কি গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ? প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে।



এর আগেও বহুবার মারধর, মাস্তানির অভিযোগ উঠেছে এই জয়ন্ত সিং-এর বিরুদ্ধে। তবে আড়িয়াদহের ঘটনায় ৮ জনকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে অধরা ছিল এই মূল অভিযুক্ত জয়ন্ত সিং। সূত্রের খবর ৮ জনের মতো তারও বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য মামলা দায়ের করা হতে পারে।
আড়িয়াদহকাণ্ডে ৪ দিন পর গ্রেফতার জয়ন্ত সিং, ‘পুরোটাই সেটিং’ কটাক্ষ বিরোধীদের



সন্দেশখালির শাহজাহান বা চোপড়ার “জেসিবি”দের মতোই তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্রছায়ায় থাকতো আড়িয়াদহের এই বাহুবলী, অভিযোগ স্থানীয়দের। যেমনটা জানা গেছে এই বাহুবলী জয়ন্তের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের সঙ্গে।
তবে এই আত্মসমর্পণকে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন “এই আত্মসমর্পণ ও গ্রেফতারিকে সম্পূর্ণ আই ওয়াস, চাপের মুখে পরেই জয়ন্তকে আত্মসমর্পণ করানো হয়েছে”। এ প্রসঙ্গে সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী জানান, “পুরোটাই সেটিং, সবার সবটাই জানা”।







