ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাস মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর এবার ফলতার বিভিন্ন এলাকায় অভিযুক্ত জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে তদন্তে নামল পুলিশ। বৃহস্পতিবার গেঞ্জি ও বারমুডা পরিহিত অবস্থায় তাঁকে নিয়ে একাধিক এলাকায় ঘোরানো হয়। সেই দৃশ্য ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চর্চা শুরু হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালতের নির্দেশে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন জাহাঙ্গির খান। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে ঘটনাস্থল ও অভিযোগ-সংক্রান্ত বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে গিয়ে তথ্য যাচাই ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার দুপুরে ফলতার সহরারহাট-সহ একাধিক এলাকায় তাঁকে নিয়ে যায় তদন্তকারী দল। পুলিশের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। হঠাৎ করে অভিযুক্তকে ওই অবস্থায় দেখে প্রথমে অনেকেই তাঁকে চিনতে পারেননি বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
পরে পরিচয় স্পষ্ট হতেই পথচলতি মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কেউ আবার প্রকাশ্যে মন্তব্যও করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গির খানকে এই অবস্থায় দেখে অনেকে অবাক হয়েছেন।
তবে পুরো সময় জুড়ে জাহাঙ্গির খানকে শান্ত ও নির্বিকার দেখিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি। পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং তদন্ত-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ চালানো হয়।


পুলিশের দাবি, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য ছিল তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিভিন্ন অভিযোগের সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলি পরিদর্শন এবং ঘটনার পুনর্গঠন করার প্রয়োজনেই অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
যদিও তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে রাজি নয়। তবে আদালতের নির্দেশে জাহাঙ্গির খানকে যে কয়েক দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে, সেই সময়ের মধ্যেই মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের খবর।
ফলতায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



