নজরবন্দি ব্যুরো: শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান মহাকাশ কেন্দ্রের পাশাপাশি এবার দ্বিতীয় মহাকাশ কেন্দ্র তৈরি করতে চাইছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। এতদিন ভারতে একটিই মহাকাশ কেন্দ্র রয়েছে। সেটি হল সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র। চন্দ্রযান-১, চন্দ্রযান-২, চন্দ্রযান-৩ থেকে শুরু করে আদিত্য এল-১ প্রতিটি মহাকাশযানই সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকেই লঞ্চ করেছে ইসরো। তাহলে, কোথায় দ্বিতীয় মহাকাশ কেন্দ্র তৈরি করবে ইসরো?
আরও পড়ুন: সূর্যের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল ‘আদিত্য’, গন্তব্যে পৌঁছাতে কতদিন সময় লাগবে?
ইসরো সূত্রে খবর, দ্বিতীয় মহাকাশ কেন্দ্রটি তৈরি হবে তামিলনাড়ুর তুতিকোরিন জেলার কুলশেখরপট্টিনামে। ইতিমিধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে জমি অধিগ্রহণের কাজ। এই মহাকাশ কেন্দ্রটি সতীশ ধওয়ানের চেয়েও বড়ো হবে। মোট ২,৩০০ একর জমির উপর তৈরি হবে এই মহাকাশ কেন্দ্রটি। এখানে দু’টি লঞ্চিং প্যাড গড়ে তোলা হবে। এখন প্রশ্ন কেন দ্বিতীয় মহাকাশ কেন্দ্র তৈরি করবে ইসরো? কী কী সুবিধাই বা পাওয়া যাবে?

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্রটি ভারী রকেট উৎক্ষেপণের জন্য আদর্শ। কিন্তু ছোট রকেটের জন্য কিছুটা অসুবিধা। কমবেশি ৫০০ কেজি ওজনের স্যাটেলাইটগুলিকে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে পাঠানোর জন্য কাজে আসবে নতুন মহাকাশ কেন্দ্রটি। আর মাঝে মাঝেই ইসরো এরকম উপগ্রহ পাঠিয়ে থাকে।

২০২৩ সালটি ভারতের ইতিহাসে বিশেষ একটি সাল হিসাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথমবারের জন্য নিজেদের মহাকাশযানকে সফলভাবে অবতরণ করাতে সক্ষম হয়েছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। ভারতের চন্দ্রযানের রোভার এবং ল্যান্ডার এখনও চন্দ্রপৃষ্ঠে কাজ করে চলেছে। এরই মধ্যে নতুন আরেকটি মহাকাশ কেন্দ্রের স্থাপন সম্পর্কে জানান দিল ইসরো।
শ্রীহরিকোটার পর এবার দেশের দ্বিতীয় মহাকাশ কেন্দ্র তৈরির পথে ইসরো, কোথায়?
তবে, নতুন এই মহাকাশ কেন্দ্রটির নাম কী হতে পারে সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। ২০০২ সালে শ্রীহরিকোটার এই মহাকাশকেন্দ্রটির নামকরণ প্রাক্তন ইসরোর চেয়ারম্যান সতীশ ধওয়ানের নামে করা হয়। সব মিলিয়ে, বিজ্ঞানে ভারত একদিন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করবে সেই স্বপ্নই দেখেন প্রত্যেক দেশবাসী।




