লোকসভা নির্বাচনের আগেই সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। শাসক-বিরোধী তরজা চরম আকার ধারণ করেছে। বিগত কয়েক মাস ধরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। মহিলাদের উপর অত্যাচার, ধর্ষণ, জমি দখলের মত চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। তবুও একবারও দেখা যায়নি এলাকার সাংসদ নুসরত জাহানকে (Nusrat Jahan)। আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে আবারও প্রার্থী করা হবে কি না তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। অবশেষে রবিবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে এলে স্পষ্ট হয়ে যায় অভিনেত্রীকে টিকিট দিচ্ছে না দল। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট নুসরতের।



আরও পড়ুন: লোকসভায় নজরে মতুয়া ভোট, আজ নজরুল মঞ্চে জরুরী বৈঠকে অভিষেক
বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। এই কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ নুসরত জাহান। ২০১৯ সালের নির্বাচনে প্রথমবার তাঁকে টিকিট দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে পাঁচ লক্ষের বেশি ভোটে জয়লাভ করেন তিনি। কিন্তু গত পাঁচ বছরে একাধিকবার অভিযোগ এসেছে, সাংসদকে এলাকায় দেখা যায় না। এদিকে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নানা বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে নুসরতকে। এনিয়ে বিরোধীরাও বিভিন্ন সময় সুর চওড়া করেছেন। গত রবিবার (১০ মার্চ) ব্রিগেডে জনগর্জন সভায় ৪২ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। বসিরহাট কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে হাজি নুরুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন অভিষেক।

Related News৮ মে মাধ্যমিকের ফল: সকাল ১০:১৫-এ অনলাইনে দেখা যাবে, কীভাবে জানবেন রেজাল্ট?বালিতে নৃশংস খুন: চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা, থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ পরিচারিকারView this post on Instagram
দলের হয়ে টিকিট না পেয়ে কি ক্ষোভ জমেছেন তারকা-সাংসদের মনে? সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ফটো শেয়ার করেছেন নুসরত জাহান। তার ক্যাপশন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, নাম না করে পরোক্ষভাবে নিজের দলকেই কটাক্ষ করেছেন অভিনেত্রী। ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘আমি টক মানুষের চেয়ে এই সাওয়ারডো বেশি পছন্দ করি। (I prefer “sourdough” over “sour” people)‘
তৃণমূল এখন টক? লোকসভার টিকিট না পেয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট নুসরতের

সন্দেশখালি ইস্যুতে নুসরতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ স্থানীয়দের। এত ঘটনা ঘটলেও সাংসদকে পাশে পাননি তাঁরা। এদিকে নুসরতকে এনিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি দাবি করেছিলেন, ওখানকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতেই যাচ্ছেন না তিনি। এমনকি ১৪৪ ধারাকে ‘১৭৪’ ধারা বলে কটাক্ষের শিকার হন তিনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নানা বিতর্কে জর্জরিত একজন অভিনেত্রীকে ফের জনপ্রতিনিধির লড়াইয়ে নামাতে চায়নি তৃণমূল, তাই তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়নি।










