নজরবন্দি ব্যুরো: সোশ্যাল মিডিয়ায় বেফাঁস মন্তব্যের জেরে বার বার ট্রোলের মুখে পড়তে দেখা যায় বিভিন্ন অভিনেতা, অভিনেত্রীদের। আর এবার এই বেফাঁস মন্তব্যের জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হলেন জি বাংলার ‘রান্নাঘর’ -এর সঞ্চালিকা সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। সুইগি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা পোস্ট করেন তিনি এবং তা নিয়েই বর্তমানে তিনি নেটদুনিয়ায় ট্রোলের মুখে পড়েন।
আরও পড়ুন: দেড় ঘণ্টার প্রবল বৃষ্টিতে বানভাসি উত্তর কোলকাতা, জল ঢুকল মেডিক্যাল কলেজেও
সুইগি থেকে খাবার অর্ডার করেছিলেন সুদীপা। এবং সেই ডেলিভারি বয় তাকে ফোন করে এটুকু জানতে চান, যে লোকেশন আসলে কোথায়। আর তা নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী। সম্পূর্ন ঘটনা ব্যাখ্যা করে সুদীপা লেখেন, “আমি শুধু জানতে চাই সুইগির একজন ডেলিভারি বয়-ও কেন ফোন না করে গন্তব্যে পৌঁছতে পারে না। আর ফোন করে কেন বলেন, আমি আসছি, আপনি গেটটা খুলুন। আমি কি দারোয়ান নাকি যে গেট খুলব।” যদিও সুদীপার এই পোস্ট এখন খুঁজতে গেলে আর পাওয়া যাবে না অভিনেত্রীর ফেসবুক হ্যাডেলে। পোস্টের কমেন্টে নেটনাগরিকদের কটাক্ষের শিকার হতেই ইতিমধ্যে পোস্টটি ডিলিট করেছেন তিনি।

খাবার সরবরাহকারী সংস্থার বয়কে অপমান! ট্রোলের মুখে সুদীপা

প্রতীক মুখার্জী নামের এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সেই পোস্টে কমেন্ট লিখে বলেন, “আমি শুধু ভাবি যারাই একটু ফেমের সঙ্গে যুক্ত তাঁরা এত চাইল্ডিশ কেন। একটু ম্যাচিওর নয় কেন। সুইগির ডেলিভারি পার্সনরা স্যালারি বা কমিশন পায় আপনাদের ডোরস্টেপে খাবার পৌঁছে দেবার জন্য়। বেশি কে বেশি ডোরবেল রিং করতে পারেন তাঁরা। দরজা খুলে, ছিটকিনি খুলে আপনাদের মুখে থাবড়া মেরে ‘এ নে গেল’ তারা বলতে পারেন না। সেই জন্য টাকাও পায় না। আর ফোনটা করে যাতে আপনি রেডি থাকতে পারেন নেওয়ার জন্য। কারণ তাঁদের হাতে সময় খুব কম জানেন তো! যত ডেলিভারি তত পয়সা বুঝলেন তো? এবার ওরা আপনার মতো ‘উমম কী ভালো খেতে, উমম কী ভালো গন্ধ, উমম কী নরম তুলতুলে’ এসব যাত্রাপালা করার জন্য টাকা পায় না। আশা করি বোঝাতে পারলাম।’’



