নজরবন্দি ব্যুরোঃ কথায় আছে বাঙ্গালি মানেই বিলাসবহুল। আর বলতে পারেন প্রকৃতি প্রেমীও বটে, ঝোঁক উঠলেই কমপক্ষে বছরে একবার তো ঘুরতে যাওয়া চাই সে সঙ্গে বন্ধু হোক বা পরিবার বা নিজে একাই। তাই এদের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় রেল কর্তীপক্ষ নিয়েছেন এক অভিনব পদক্ষেপ। ভারতীয় রেল দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত গর্বের। সারা দেশ জুড়ে রেলের চলেছে অত্যন্ত আশ্চর্যজনক কিছু প্রকল্প।
আরও পড়ুনঃ সঙ্গমের পর প্রস্রাব করলে ঝুঁকি কমে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার, জানাচ্ছে সমীক্ষা


এর আগে উত্তর পূর্ব ভারতে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলব্রিজ থেকে শুরু করে কলকাতার জলের তলার মেট্রো, সব ব্যাপারেই অসাধ্য সাধন করেছে রেল। জনগণের সুবিধার্থে তারা যে কতখানি সচেতন তা প্রকাশ পেয়েছে দেশের জনগণের সামনে।

এবার শীঘ্রই কলকাতার হুগলি নদীর তল দিয়ে ছুটবে ভারতের প্রথম ডুবো ট্রেন। অনেক অপেক্ষার পর এবার জলদিই জনগণের জন্য শুরু হতে চলেছে এই পরিষেবা। দেশের চমৎকার ইঞ্জিনিয়ািংয়ের উদাহরণ দিয়ে এবার এই ট্রেনটিই হয়ে উঠবে ভারতীয় রেলের ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতীক। এই বিষয়ে রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন যে, এই নির্মাণ কলকাতার বাসিন্দাদের সুবিধার্থে যা কিনা দেশের মানুষের জন্যও অত্যন্ত গর্বের।

কলকাতা মেট্রোর এই নতুন লাইনে শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে মেট্রো পরিষেবা। সল্টলেক সেক্টর-৫ থেকে সল্টলেক স্টেডিয়াম পর্যন্ত অর্থাৎ প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রো লাইনে রেলওয়ে কমিশনারের নিরাপত্তার তদন্ত শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে এবং এবার শিগগিরই তা অনুমোদন করা হবে জনগণের সুবিধার্থে।


ভারতের প্রথম আন্ডারওয়াটার ট্রেন ছুটবে জলের বুক চিরে, খরচ মাত্র ৮ হাজার কোটি টাকা

ভারতীয় রেলওয়ের অধীনে থাকা কলকাতা মেট্রো করপোরেশন এবং রেলওয়ে এই পুরো প্রকল্পের জন্য খরচ করেছে ৮ হাজার কোটিরও বেশি ব্যয় করেছে। এর ফলে ভারতে প্রথমবারের মতো নদীর অভ্যন্তরে একটি রেলওয়ে টানেল তৈরি করা হচ্ছে। এখানে আপ এবং ডাউন লাইনে দুটি টানেল তৈরি করা হচ্ছে, যা কিনা প্রায় ১.৪ কিমি লম্বা। এবং এই টানেলের মোট দৈর্ঘ্য ৫২০ মিটার থাকবে এবং এইমেট্রো নদীর তলদেশ দিয়েও নিত্য যাতায়াত শুরু করবে।







