নজরবন্দি ব্যুরো: নতুন করে দাপট ছড়াচ্ছে করোনা। দেশে চড়চড়িয়ে বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা। বিগত কয়কদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী দেশে করোনার গ্রাফ। পাশাপাশি বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। যা নিয়ে রীতিমত উদ্বেগ ছড়িয়েছে গোটা দেশে।
আরও পড়ুনঃ Youtuber: চলে গেলেন ঝিলাম গুপ্ত, নেপথ্যে অসুখ নাকি দুর্ঘটনা?



আর এই পরিস্থিতিতে যেভাবে দিনে দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তা দেশে তৃতীয় তরঙ্গের পর সর্বোচ্চ। আর এই সংক্রমণের পিছনে রয়েছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট। এমনটাই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। এদিকে, দেশে দৈনিক সংখ্যা ১১ হাজার পার করে গিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ১০৯ জন। যার ফলে একদিনে দৈনিক আক্রান্ত বেড়েছে ৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি দেশের দৈনিক পজিটিভিটি রেট বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশের কাছাকাছি। এছাড়াও দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও ৪৯ হাজার ৬২২। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে নতুন করে করোনার ভয়াবহতার পিছনে রয়েছে করোনার XBB.1.16 ভ্যারিয়েন্ট। আর এই সময়েই আরও বেশি করে মানুষে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পড়তে বলছেন তাঁরা।



অন্যদিকে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ২০ জনের। এখনও পর্যন্ত দেশের মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩১ হাজার ৬৪। কিন্তু চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশে সুস্থতার হার। বর্তমানে সুস্থতার হার ৯৮.৭০ শতাংশ। এখনও অবধি দেশে মোট ৪ কোটি ৪২ লক্ষ ১৬ হাজার ৫৮৩ জন করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সারা দেশে মহারাষ্ট্র এবং দিল্লির পরিসংখ্যান বেশ উদ্বেগজনক। দুই রাজ্যেই দৈনিক আক্রান্ত হাজারের বেশি।
নয়া ভ্যারিয়েন্টের জেরেই বাড়ছে করোনা, উদ্বেগ ছড়িয়েছে গোটা দেশে

করোনার উদ্বেগ বাড়ায় নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে WHO. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, যাদের করোনার দুটি ডোজ নেওয়া হয়ে গিয়েছে। তাঁরা নতুন করে বুস্টার ডোজ নেবেন। আর আগে থেকে বুস্টার নেওয়া থাকলেও সেক্ষেত্রে পুনরায় নিতে হবে বুস্টার। তাছাড়াও আগের টিকা থেকে নতুন বুস্টার ডোজের ব্যবধান ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে হতে হবে।







