নজরবন্দি ব্যুরো: জগদ্দলে শুটআউট, সাতসকালে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল জগদ্দল। গুলির আঘাতে মৃত্যু হল যুবকের। জানা গিয়েছে, শুক্রবার JJI জুট্মিলের স্টাফ কোয়ার্টারের সামনে গুলি চলে। মৃত যুবকের নাম অনুপ চৌধুরী বলে জানা গিয়েছে। এদিন কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয় বলে খবর।
আরও পড়ুন: শুভেন্দুকে ক্ষমা চাইতে ৩৬ ঘণ্টা সময়, আইনি নোটিশে কুরুচিকর আক্রমণের জবাব অভিষেকের।


এদিকেএই ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। মৃতের পরিবারের দাবি, ঘটনায় অভিযুক্ত সাহিল ও রবীর এলাকায় মদ, গাঁজার ব্যবসা করত। অনুপ তার প্রতিবাদ জানান। আর এই নিয়ে একাধিকবার তাঁদের মধ্যে বচসাও হয়েছিল। তবে কয়েকদিন হল অনুুপ শ্যামনগরে তাঁর দিদির বাড়িতে থাকতেন। বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবারই বাড়ি ফেরেন তিনি।
সূত্র মারফত খবর, বেশ কয়েকদিন ধরেই অনুপের গতিবিধির ওপর নজর রেখেছিল অভিযুক্ত সাহিলের দলবল। অভিযোগ, রাতেই সাহিল অনুপকে বাড়িতে ডাকতে আসে। কথা বলবে বলেই বাইরে নিয়ে যায় সে। পরিবারের দাবি, এরপরই কলাবাগান জেজেআই জুটমিল এলাকায় পরপর দু’রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান তাঁরা।
এদিকে গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসেন স্থানীয়রা। ততক্ষণে পালিয়ে যায় সাহিল। তাঁরা গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতেই লুটিয়ে পড়েন অনুপ। তাঁর পেটে গুলি লাগে। এরপর স্থানীয়রাই অনুুপকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। যদিও শুক্রবার সকালে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।


জগদ্দলে শুটআউট, অন্যদিকে এলাকার বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, “অনুপ আমাদের দলের কর্মী। এলাকায় পুলিসের মদতেই মদ, গাঁজার রমরমা ব্যবসা চলছে। অনুপ তার প্রতিবাদ করত। আর তার জন্যই তাকে খুন করা হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার না করলে, আমরা বড় আন্দোলনে নামব।”








