নজরবন্দি ব্যুরো: সাতে-পাঁচে না রুদ্রনীলের, “সোনার বাংলা” গড়ার লক্ষ্যে দলবদল তো হয়েছে। এবার রাজ্যের জন্য কাজ করার সুবাদে তাঁরা কোন জায়গা থেকে লড়বেন নির্বাচনে। তৃণমূল থেকে বিজেপিগামী নেতা মন্ত্রীদের প্রতি এই মুহূর্তে এটাই সবথেকে বড়ো প্রশ্ন। তার আরো একটা কারণ হল, দত্যাগের পর থেকেই দলত্যাগী নেতামন্ত্রীরা আচমকাই দলের বিরুদ্ধে এবং দলের বাকিদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন প্রতিদিন।
আরও পড়ুনঃ দমবন্ধ দীনেশের বড়ো সেটিং! আক্রমণে কল্যান-সুখেন্দু, মনখারাপ সৌগতর
সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাকে চান বিজেপির ‘ নব্য ‘ নেতারা সেটা জানতেও উৎসুক সাধারণ মানুষ। এই প্রসঙ্গেই প্রথম সারির এক সংবাদ মাধ্যম সবে সবে দলত্যাগ করা রুদ্রনীল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানিয়েছিলেন দল রাজি থাকলে নিজের জন্মভূমি হাওড়া থেকেই দাঁড়াবেন তিনি। এমিতেই কয়েকদিন আগে থেকেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল হাওড়ার শিবপুর থেকে নির্বাচন লড়তে চাইছেন তিনি।
তবে এই বিষয়ে তিনি নিজে জানিয়েছেন বিজেপির মতো বড়ো জায়গায় শেষ সিদ্ধান্ত দলই নেয়, সেখানে যদি দল তাঁকে যোগ্য বলে মনে করে, এবং সুযোগ দেয় তাহলে নিশ্চয়ই তিনি চাইবেন তাঁর জন্মভিটে থেকেই নির্বাচন লড়তে। বিজেপিতে যাওয়ার একমাসেরও কম সময় হয়েছে রুদ্রনীলের। তবে তিনি অনুভব করছেন বিজেপির মত দলে শৃঙ্খলা আছে। দল মানুষ দেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়।
সাতে-পাঁচে না রুদ্রনীলের, দল যদি তাঁকে যোগ্য ভেবে দায়িত্ব দেয়, তিনি তা খুশি মনে পালন করবেন। এমনকি রুদ্রনীল বলেছেন দল যদি তাঁকে ২১’ নির্বাচনে দাঁড়াতে নাও দেয়, জেলায় গিয়ে কাজ করতে বলে তাতেও রাজি। দলে আগে তাদের সিদ্ধান্ত পরে ব্যাক্তিগত। আর এসব নাকি তিনি মাথা পেতে নিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন বরাবরের মতই তৃণমূল আদতেই ব্যক্তিনির্ভর দল। এবং দলের কাঠামো তৈরি হয় ব্যাক্তির পরিচিতির ওপর নির্ভর করে। দলমত নির্বিশেষে সাংগঠনিক সিদ্বান্ত নেয়না তৃণমূল।



