নজরবন্দি ব্যুরোঃ দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করিয়ে ছাড়বেন, দলবদলের চ্যালেঞ্জ হেরে ফের হুঙ্কার দিলেন শুভেন্দু অধিকারী! সপ্তাহের শুরুর দিন অর্থাৎ সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বিজেপির একাধিক বিধায়ক যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূলের সাথে। ব্যাস, সাথে সাথেই কটাক্ষের ঝড়। চ্যালেঞ্জের আত্মম্ভরিতা! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দিল্লিতে বসে মন্তব্য করলেন, “এখন বিরোধী দল বিজেপি, প্রতিপক্ষের নেতা শুভেন্দু অধিকারী! চ্যালেঞ্জ করছি, দল ভাঙিয়ে দেখান!”
আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস কে অপমান বিকাশ-মীনাক্ষীর, পাল্টা CPIM-কে ‘সাংসদ’ খোঁচা রোহনের!
সোম থেকে শুক্র, মাত্র ৫ দিনের ব্যাবধানে সেই চ্যালেঞ্জের জবাব হাতে কলমে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। যোগ্য হাতেই দলের রাশ, কার্যত বুঝিয়ে দিলেন অভিষেক! দায়িত্ব নেওয়ার সপ্তাহান্তে দলে নিয়ে এলেন বিধায়ক তো বটেই, কার্যত বাংলার বিজেপিকে নব রূপ দেওয়ার কারিগর তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় কে। বিজেপি থেকে মুকুল ঝরে যেতেই রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূলে ফেরত আসার হিড়িক।
দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করিয়ে ছাড়বেন, ফের হুঙ্কার দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুকুল রায়ের দল বদল প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন শুভেন্দু। তৃণমূল ও মমতা অন্য দল ভাঙানোর চেষ্টা সবসময় করেন বলে অভিযোগ তাঁর। যদিও এরপরেই হুঙ্কার দেন শুভেন্দু। অভিষেকের কাছে চ্যালেঞ্জ হারার পর ফের চ্যালেঞ্জ!
শুভেন্দু এবারে হুঙ্কার দিয়েছেন দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে। তিনি বলেছেন, ‘কে যাবে না যাবে সেটা বড় কথা নয়। মাননীয়া ও তাঁর দল শুনে রাখুন স্পিকার হাতে থাকায় দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হয়নি। আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, পদ্ধতি জানি। আমি কার্যকর করে দেখাব। ২-৩ মাস লাগতে পারে। দলত্যাগ বিরোধী আইন মেনে দলবদল করতে হবে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘২০১২ সাল থেকে বিধায়ক ভাঙানো ও বিরোধী দলকে শেষ করা শুরু করেছেন মাননীয়া। আগে কংগ্রেস ও সিপিএম টার্গেট ছিল। আর এখন টার্গেট বিজেপি। ওটা ওঁর দীর্ঘদিনের রোগ। মাননীয়া তাঁর রাজত্বে কোনও বিরোধী শক্তিকে রাখতে চান না। গণতন্ত্র মানেন না।’ সব কিছু বললেও শিশির অধিকারী প্রসঙ্গে মুখ খোলেননি শুভেন্দু। কারন শিশির তৃণমূলের সাংসদ থাকাকালীনই যোগ দিয়েছেন বিজেপি-তে!



