নজরবন্দি ব্যুরোঃ শনিবার সাতসকাল বিরাট অভিযানে ইডি। বেলা গড়াতেই উদ্ধার কোটি কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, ই ন্যাজেট অ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণা চলত। প্রায় ৭০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে অ্যাপের ডেভলপার আমির খানের বিরুদ্ধে। কেন এই বিপুল টাকা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল? এর সঙ্গে প্রভাবশালীর যোগ রয়েছে কী না, সেটার খোঁজ করছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: পঞ্চায়েত ভোটের আগেই রাজ্য জুড়ে বিজেপির পোস্টার, বাংলার লজ্জা মমতা
শুধুমাত্র আমির খান নয়, আমির খানের বন্ধুদের বাড়িতে শুরু হয়েছে অভিযান। আমির খানের বাড়িতে উপস্থিত হয়েছে ব্যাঙ্ক অফিসাররা। এখনও অবধি ৭ কোটি টাকা গণনা হয়েছে। এখনও টাকা গোনার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। ইডি সূত্রে খবর, এই বিপুল টাকার পাহাড় কীভাবে এল? তা সদুত্তর মেলেনি ব্যবসায়ীর তরফে। তাই এই টাকা কালো টাকা মনে করছে ইডি।

২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পার্কস্ট্রিট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। সেখানে একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করেন ফেডারেল ব্যাঙ্ক। পার্কস্ট্রিট থানার পাশাপাশি ঘটনায় নজরদারি ছিল ইডির। যে তদন্ত পার্কস্ট্রিটের থানা করছিল, সেই সূত্র ধরেই চলে অভিযান। এরপর বিপুল টাকা উদ্ধার হয়েছে।
সকাল বেলাতেই গার্ডেনরিচে নাসির খান নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে ইডির আধিকারিকরা৷ তাঁর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বাড়িতে উপস্থিত হয়েছে ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা। ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা। গোটা এলাকা সিল করে চলছে অভিযান। এখনও অবধি টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।
প্রায় ৭০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ, বিরাট অভিযানে ইডি

শুধুমাত্র গার্ডেনরিচ নয়, পার্কস্ট্রিট এবং মোমিনপুরে অভিযান চালাচ্ছে ইডির আধিকারিকরা। নজরে এক ব্যবসায়ী ও আইনজীবী শহরজুড়ে আজ ৪ জায়গায় অভিযানে ইডি। আরও বিস্ফোরক কিছু হাতে আসতে পারে। এই প্রতারণার জাল কতদূর অবধি বিস্তৃত? তা জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারী সংস্থা।








