বিজেপির আইন অমান্য কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ব্যারাকপুরে। পুলিশের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। ইটবৃষ্টি-জলকামান-কাঁদানে গ্যাস সব রকম কায়দায় ‘যুদ্ধ’ হল পুলিশ ও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। এই ঘটনায় অনেকক্ষণের জন্য ব্যারাকপুরে বি টি রোড, এস এন ব্যানার্জী রোড অবরুদ্ধ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দোকানপাট বন্ধ করে নেন অনেকেই। পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষকদের ‘সুপ্রিম’ বার্তা, ১১ হাজার ৭৬৫ জনকে নিয়োগ দেবে পর্ষদ


সোমবার সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বেই ব্যারাকপুরে আইন অমান্য কর্মসূচির ডাক দেয় বিজেপি। তাঁদের লক্ষ্য ছিল, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার। কিন্তু মাঝখানে ছিল পুলিশের তৈরি করা বাঁশের ব্যারিকেড! সেই ব্যারিকেড ভেঙেই পুলিশ কমিশনারের দফতরের দিকে এগোতে থাকেন গেরুয়া কর্মী-সমর্থকরা।

এমনই সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বাধে বিজেপির। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করেন বিজেপি কর্মীরা। যদিও তাঁদের অভিযোগ, পুলিশের তরফে প্রথমে ইট ছোঁড়া হয়। পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ শুরু করে বিজেপি কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে চায়। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে যাওয়ায় প্রথমে জলকামান ও পরে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। প্রিজন ভ্যানে করে টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বিজেপি কর্মীদের।



বিজেপি-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ব্যারাকপুর, ইটবৃষ্টি-জলকামান-কাঁদানে গ্যাস বাদ গেল না কিছুই!
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সুকান্ত মজুমদারের সাথে এক পুলিশ অফিসারের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পুলিশের মারে মহিলা সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী, সমর্থক গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।সংবাদমাধ্যমকে সুকান্ত বলেছেন, “শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে কমিশনারের কাছে ডেপুটেশন দিতে যাচ্ছিলাম আমরা। এরই মধ্যে আমাদের কর্মী, সমর্থকদের উপর আক্রমণ করে। আমরা তো আর কমিশনারকে ধরে নিয়ে যেতাম না!” যদিও পাল্টা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (সেন্ট্রাল) আশিস মৌর্যের কথায়, “পুলিশ আইন মেনেই ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশের বুরুদ্ধে বিজেপির যে অভিযোগ তা তদন্ত করে দেখা হবে।”








