অক্সিজেনের হাহাকারে বন্ধ রোগী ভর্তি, করোনা থেকে সেরে ওঠার আগেই ছুটি হাসপাতাল থেকে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অক্সিজেনের হাহাকারে বন্ধ রোগী ভর্তি, করোনা থেকে সেরে ওঠার আগেই ছুটি হাসপাতাল থেকে। দেশে ক্রমশ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে করোনাভাইরাস। লাগামছাড়া আক্রান্তের সাথেই মৃত্যু হারও বারছে লাফিয়ে লাফিয়ে। প্রতিদিনই দেশ নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে। এমন অবস্থায় দুটি জিনিষের হাহাকার চলছে গোটা দেশ জুরে। বেড এবং অক্সিজেন।

আরও পড়ুনঃ আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় জনতার দরবারে মুখোমুখি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

গোটা দেশের সমস্ত রাজ্যে অক্সিজেনের অভাব। ইতিমধ্যেই অক্সিজেনের অভাবে একের পর এক হাসপাতালে মৃত্যুমিছিল চলছে। ইতিমধ্যেই জার্মানি থেকে অক্সিজেন আনার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। এরই মধ্যে দিল্লির সরোজ হাসপাতালে আপাতত বন্ধ রোগী ভর্তি প্রক্রিয়া। কারণ হাসপাতালে নেই যথেষ্ট অক্সিজেন। হাসপাতালের কোভিড ইন-চার্জ বলেছেন, “পর্যাপ্ত অক্সিজেন না থাকার জন্য আমরা আর নতুন করে কোনও রোগীকে ভর্তি নিচ্ছি না। যারা ভর্তি ছিলেন তাদের ডিসচার্জ করে দেওয়া হচ্ছে।”

নতুন রোগী ভর্তি না নিলেও করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ছেরে দেওয়ায় দেশের বর্তমান করুন পরিস্থিতির কথাই তুলে ধরছে। দিল্লী ছাড়াও উত্তরপ্রদেশ থেকে মধ্যপ্রদেশ সর্বত্র চিত্র একই। অক্সিজেন চেয়ে রোগীর পরিবারের কাকুতি গত কয়েকদিনের পরিচিত ছবি।  এই পরিস্থিতিতে সরোজ হাসপাতালের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এতে রোগীদের উভয়সংকট পরিস্থিতি। মানুষ আতঙ্কিত সুদূর ভবিষ্যতে আরও হাসপাতাল একই সিদ্ধান্ত না নেয়। প্রসঙ্গত দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে অক্সিজেন চেয়ে সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল ‘এসওএস’ বার্তা। সেখানে ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জন রোগী মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

অক্সিজেনের হাহাকারে বন্ধ রোগী ভর্তি, করোনা থেকে সেরে ওঠার আগেই ছুটি হাসপাতাল থেকে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাহায্য বার্তায় বলা হয়েছিল প্রায় ৬০ জন রোগীর প্রাণ বিপন্ন। অবিলম্বে প্রয়োজন অক্সিজেন। হাতে আছে ঘণ্টা দুয়েক সময়। এই বার্তার পর সেখানে অক্সিজেন ভর্তি গাড়ি পাঠানো হয়েছিল বলে খবর মিলেছিল। তেমন কোন উদ্যোগ সরোজ হাসপাতাল নিল না কেন সেই প্রশ্নও উঠছে।

 

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত