নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাইকোর্টের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও নেতাই যেতে পারেননি নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেই অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। এমনকি তাঁর কাঁথির বাড়িতে সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি চলাকালীন রাজ্যের হলফনামা চেয়ে পাঠাল কলকাতা হাইকোর্টের রাজশেখর মান্থার বেঞ্চ।
আরও পড়ুনঃ কারণ করোনা, ফের বন্ধ হচ্ছে বাগডোগরা এয়ারপোর্ট


এবার নেতাই দিবসে শহীদ পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এবং শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে উপস্থিত হন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। কিন্তু ঝিটকার জঙ্গলের কাছেই আটকে দেওয়া হয় তাঁকে। ভীমপুরে একটি শহিদ বেদিতে মাল্যদান করে ফিরে আসেন তিনি। আদালতের কাছে শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী বলেন, রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে উদাসীন রাজ্য। আদালতের নির্দেশের পরেও মানা হচ্ছে না নিয়ম।
একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, মাঝ রাত অবধি শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনে তারস্বরে মাইক চালানো হয়েছে। এমনকি তাঁর ওপর নজরদারি চালানোর জন্য জানালা এবং দরজার বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এরপরেই রাজ্যের তরফে গোটা বিষয়টি আদালতকে হলফনামা দিয়ে জানানোর জন্য এক সপ্তাহ চেয়ে নেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল। সেইমতো ১৯ তারিখ অবধি সময় পেয়েছিল রাজ্য।
শুভেন্দু অধিকারীর ওপর সিসিটিভি নজরদারি, সুরক্ষার স্বার্থে বলছে রাজ্য

রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সেদিন পুলিশ শুভেন্দু অধিকারীকে আটকায়নি। বরং শুভেন্দু অধিকারী যে নিহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন সেই বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন অন্য দলের প্রতিনিধিরা। তাই বিশৃঙ্খলা এড়াতেই পুলিশ আটকায় তাঁকে।শুভেন্দু অধিকারীর ওপর সিসিটিভি নজরদারি নয়, নিরাপত্তার কারণেই শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে কোথায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসবে তা নিরাপত্তা বাহিনী এবং পুলিশ মিলে ঠিক করতে পারে।









