নজরবন্দি ব্যুরোঃ পা সেরে গিয়েছে তাঁর, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এখনও প্লাস্টার নিয়ে হুইল চেয়ারে চেপেই ঘুরতে হবে তাঁকে। রবিবার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, জনসভা আর রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতির সামলাতে গিয়ে বাড়ি ফেরার সময় নেই। সব মিটিয়ে কলকাতায় বাড়ি ফিরেই প্লাস্টার কাটাবেন তিনি। রবিবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে রবীন্দ্রসদনে ভার্চুয়াল সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে লাখো সমর্থক কে বার্তা দেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ভারতকে সাহায্য করতে প্রস্তুত, চিন পা বাড়াতেই হাত বাড়াল আমেরিকা!
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘পায়ে চোট নিয়ে গত দেড় মাস জেলায় জেলায় ঘুরেছি। এখন হয়তো আমার পা ভালো হয়ে গিয়েছে কিন্তু, আমি যেহেতু বাড়িতে যেতে পারছি না, তাই প্লাস্টার কাটতে পারছি না। টানা দশ দিন আমি বাড়ির বাইরে আছি। বাড়ি ফিরে এটা আমাকে করতে হবে।’’
মু্র্শিদাবাদ মালদা বড় ফ্যাক্টর, আজকের ভার্চুয়াল সভা থেকে একথা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু বাংলা দখল করার লক্ষ্যে মোদী বাংলার ক্ষতি করলেন। কাজ করার ক্ষমতা নেই , সবকিছু কেন্দ্রীভূত করার জোতদারি আর জমিদারি। চারদিকে অক্সিজেন নেই। এদিকে মোদী মন কা বাত করে চলেছেন। ওনার মনের কথা কে শুনতে চায়? রবিবার মুর্শিদাবাদে ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগার পর তিনি বুঝিয়ে দিলেন এই নির্বাচনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ মালদা মুর্শিদাবাদ।

এদিন মমতা বলেন, ‘কমিশন আমার মিটিং নিষিদ্ধ করলেও আমি মুর্শিদাবাদেই পড়ে আছি। কলকাতা থেকেও ভার্চুয়াল মিটিং করতে পারতাম করিনি। বোলপুরে গিয়ে ভার্চুয়াল মিটিং করেছি। এখানেও নিজে এসেই বৈঠক করছি। তবে যে যে এলাকায় পৌঁছতে পারিনি, সেসব জায়গায় আমি ভোটের পর যাবই। আপনারা শুধু তৃণমূল প্রার্থীদের জেতান’
উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামের বিধানসভা প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে গাড়ির দরজায় আঘাত লেগে পা জখম হয় মমতার। গুরতর জখম অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দু’দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরই চিকিৎসকদের বিশেষ অনুরোধ করে ছুটি নেন মমতা। তারপর থেকে হুইল চেয়ারেই বসে একের পর এক জনসভা করেছেন তিনি।



