স্কুল সার্ভিস কমিশনের ২৬ হাজার চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই সঙ্কটে ৪২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। প্রশ্ন উঠল টেটের ৪২ হাজার পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে। প্রশ্ন তুলনেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সোমবার থেকে বিচারপতি সিনহার এজলাসের মামলার সূচি বদলেছে। অমৃতা সিনহার হাতে এসেছে প্রাথমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলি। সোমবার সূচি বদলানোর পরেই মঙ্গলবার তাঁর এজলাসে শুনানির জন্য ওঠে ২০১৪ সালের টেটের নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা। সেই মামলারেই পর্ষদকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

২০১৪ সালে রাজ্যে যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল, সেই পরীক্ষার নিয়োগ দেওয়া হয় ২০১৬ সালে। রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ৪২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। কিন্তু ২০১৬ সালের ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ আনেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করেই হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী। মঙ্গলবার সেই মামলারই শুনানি হল বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে।
আগামী ৩০ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন বিচারপতি। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছেন, ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে ২০১৪ সালের টেটের ৪২ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল আদালতে জমা দিতে হবে পর্ষদকে।
সঙ্কটে ৪২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক, চাকরি থাকবে তো? কড়া নির্দেশ বিচারপতির

আজ মামলা চলাকালীন বিচারপতি সিনহা জানতে চান, “৪২ হাজার নিয়োগের তালিকা কোথায়? কারা ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরি পেয়েছিলেন?” বাদী বিবাদী পক্ষের যুক্তি শোনার পর তাঁর পর্যবেক্ষণ, “প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও নিয়োগের তালিকা থাকা দরকার। কারা যোগ্য এবং কারা চাকরি পেলেন, তা প্যানেল থেকেই জানা সম্ভব।” এর পরেই বিচারপতির নির্দেশ, “নিয়োগ যখন হয়েছে, প্যানেল তো থাকবেই। সেই প্যানেলই আদালত দেখতে চায়”



