নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাওড়া বালির তৃণমূল নেতা তপন দত্ত খুনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এরপর থেকেই তদন্ত প্রক্রিয়া সিবিআই চালিয়ে নিয়ে যাবে বলেই জানিয়েছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। যেখানে সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন সেখানে তদন্ত করবে সিবিআই। নির্দেশ আদালতের। তৃণমূল নেতা তপন দত্তর খুনের জড়িত মন্ত্রী! নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রীর মন্তব্যে চাপ বেড়েছে।


২০১১ সালের মে মাসে গুলি করে খুন করা হয় তপন দত্তকে। এই ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের নাম জড়ায় । এই মামলা প্রথমে নিম্ন আদালত, এরপর কলকাতা হাই কোর্ট এমনকি পরে সুপ্রিম কোর্টেও উঠেছে। কিন্তু এক দশক পেরিয়ে গেলেও এই ঘটনায় অভিযুক্তরা শাস্তি পায়নি। রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে সিআইডি তদন্তভার গ্রহণ করেছিল। সিআইডি তদন্তের পর জানায়, জলাজমি ভরাটের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন বলেই তপনবাবুকে খুন হতে হয়েছে। ২০১১ সালের ৩০ অগস্ট সিআইডি মামলার চার্জশিট পেশ করে। চার্জশিটে হাওড়ার একাধিক তৃণমূল নেতার নাম ছিল।

ওই বছরেই ২৬ সেপ্টেম্বর সিআইডির সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে কোনও কারণ না দেখিয়ে ন’জনের নাম বাদ দেওয়া হয় । তাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন হাওড়া তৃণমূল নেতা। ২০১৪-র ডিসেম্বরে তথ্যপ্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পেয়ে যান চার্জশিটে নাম থাকা বাকি অভিযুক্তরা। কিন্তু ২০১৭ সালে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশকে খারিজ করে । হাই কোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে অভিযুক্তরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত হাই কোর্টের নির্দেশ বহাল রাখে এবং হাই কোর্টকে দ্রুত মামলাটি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেয়।


তৃণমূল নেতা তপন দত্তর খুনের জড়িত মন্ত্রী! সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

তপন দত্তের স্ত্রী প্রতিমা দত্তর দাবি, মাথায় কোপ মারা হয়েছিল। মাথায় ১৮ টি সেলাই করা হয়েছিল। বাড়ির লোককে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হয়েছে। আমাদের ওপর তোমরা কিছু করতে পারবে না। মামলা থেকে সরে না দাঁড়ালে ‘বংশে বাতি দেওয়ার লোক থাকবে না’ বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এর সঙ্গে অরূপ রায়, কল্যাণ ঘোষ, ষষ্ঠী গায়েন, অসিত গায়েনরা। তিনি আশাবাদী, সিবিআই তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত যারা দোষী, তাঁদের শাস্তি মিলবে।








