দুপুরের ব্যস্ত সময়ে আচমকাই নেমে এল মৃত্যুর ছায়া—নিজের কর্মক্ষেত্রেই খুন হলেন এক মহিলা, আর তার পরেই আত্মঘাতী অভিযুক্ত। দক্ষিণ ২৪ পরগনার গড়িয়ায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসছে সম্পর্কের টানাপড়েনের ইঙ্গিত।
মঙ্গলবার Narendrapur থানার অন্তর্গত তেঁতুলতলায় এই ঘটনা ঘটে। মৃতার নাম রূপবাণী দাস (৫০)। এলাকায় প্রায় ১৫ বছর ধরে একটি বিউটি পার্লার চালাতেন তিনি। সেখানেই তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্ত যুবক আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর পরিচয় এখনও বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে তিনি কাশ্মীরের বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।
কীভাবে ঘটল ঘটনা?
মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ রূপবাণীকে পার্লারের সামনে নামিয়ে দেন তাঁর স্বামী। এরপর কিছুক্ষণ পরেই পার্লার থেকে ফোন যায় বাড়িতে—ভিতরে অশান্তির খবর দিয়ে।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা খুলতেই চোখে পড়ে রক্তাক্ত দৃশ্য।
- রূপবাণীর গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত
- অভিযুক্ত যুবকেরও গলায় আঘাতের চিহ্ন
পুলিশের অনুমান, মহিলাকে খুন করার পর নিজেই আত্মহত্যা করেছেন অভিযুক্ত।
সম্পর্কের জটই কি কারণ?
তদন্তে উঠে এসেছে, ওই যুবকের সঙ্গে রূপবাণীর পরিচয় ছিল এবং তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছিল।
স্থানীয়দের দাবি—
- যুবক পার্লারে ঢোকার পর দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে দেন
- দু’জনের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়
- এরপরই ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা
যদিও এই তত্ত্ব এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে।
তদন্ত শুরু
দেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, নাকি অন্য কোনও কারণ—সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনা ফের প্রশ্ন তুলছে—ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা কীভাবে কখনও কখনও ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে।






