আরজি কর ধর্ষণ মামলার এখনও রেশ কাটেনি, কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে উঠে আসছে নারী নির্যাতনের খবর। এবার এক তরুণীকে গণধর্ষণ করল তাঁরই প্রেমিক-সহ মোট পাঁচজন। ঘটনা জলপাইগুড়ির মালবাজারের। ইতিমধ্যেই বুধবার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাঁদের জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজির করানো হয়েছিল।
জানা যাচ্ছে, ওই তরুণী কাজের জন্য এর আগে সিকিমে থাকতেন। কিছুদিন আগে তিনি ছুটি নিয়ে জলপাইগুড়ির মালবাজার ব্লকের ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েতের লাবারি এলাকায় নিজের বাড়িতে আসেন। সেখানে এসেই স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে প্রেম হয় তাঁর। অভিযোগ, সেই প্রেমিক সোমবার ওই তরুণীকে একটি চা-বাগানের ডেকে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করেন। সঙ্গে ছিল তাঁর চার বন্ধু। তরুণীকে মাদক মেশানো ঠান্ডা পানীয় খাইয়ে অচৈতন্য করে এই কীর্তি চলে অভিযোগ।


এই ঘটনায় বুধবার মালবাজার থানায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে তরুণীর পরিবার। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। দ্রুততার সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত সহ পাঁচজনকে। আজ তাঁদের প্রত্যেককে আদালতে তোলা হয়েছিল। তাঁদের ১৪ দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কিন্তু কাউকেই পুলিশি হেফাজত দেওয়া হয়নি।
আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল গোটা রাজ্য। এই ঘটনার পর রাজ্য সরকারের তরফে ধর্ষণ বিরোধী ‘অপরাজিতা বিল ২০২৪’ পাশ করা হয়। তা সত্ত্বেও কিন্তু মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কমার কোনও লক্ষণ নেই। শুধু কি শাস্তির মাধ্যমে ধর্ষণ কমানো সম্ভব নাকি পরিবর্তন প্রয়োজন মানসিকতায়? আর সেই মানসিকতার বদল আনবেই বা কে? উঠছে প্রশ্ন।







